ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ে মুখোমুখি মাস্ক ও বেজোস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:২০, ৮ অক্টোবর ২০২৩
স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ে মুখোমুখি মাস্ক ও বেজোস
ইলন মাস্ক ও জেফ বেজোস - ফাইল ছবি

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জমে উঠেছে অ্যামাজন বনাম স্পেসএক্সের প্রতিযোগিতা। স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক তার স্টারলিংক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করে সারা বিশ্বে ইন্টারনেট পরিষেবার মান আরো বাড়াতে চাইছে। তবে এখানেও তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। স্টারলিংককে টেক্বা দিতে মহাকাশে দুইটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করেছে অ্যামাজান।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) অ্যমাজন মহাকাশে উৎক্ষেপন করেছে তাদের ‘প্রজেক্ট কুইপার’সিরিজের দুটি স্যাটেলাইট। প্রটোটাইপ এই স্যাটেলাইট দুটির নাম ‘কুইপারস্যাট-১’ এবং ‘কুইপারস্যাট-২’। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে উপগ্রহ দুইটি উৎক্ষেপণ করা হয়।

কুইপার যে স্টারলিংককে টেক্কা দিতে চায়, এমন কথা চাউর হয়েছে বহুদিন আগে। তবে এত দিন সেটা পরিকল্পনা পর্যায়েই ছিল। অবশেষে বেজোসের কুইপার আনুষ্ঠানিকভাবে মাস্কের স্টারলিংকের প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার পথে পা বাড়াল।

Advertisement

কুইপার বলেছে, কার্যক্রম শুরু হলে প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকাসহ বিশ্বজুড়ে সাশ্রয়ী মূল্যে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেবে তারা। এ লক্ষ্যে উৎক্ষেপণ করবে ৩ হাজার ২০০টির বেশি কৃত্রিম উপগ্রহ। এ প্রকল্পে এক হাজার কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হবে বলেও জানিয়েছে প্রজেক্ট কুইপার।

তবে মাস্কের স্টারলিংককে টেক্কা দেওয়া বেজোসের জন্য সহজ হবে না। কারণ, কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দেওয়ায় স্টারলিংকের রয়েছে একচ্ছত্র আধিপত্য। ২০১৯ সালে প্রথম স্টারলিংক কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠায়। এরইমধ্যে ৩ হাজার ৭০টির বেশি কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়েছে তারা।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনসহ অনেক দেশে ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে স্টারলিংক। প্রচলিত ইন্টারনেট সেবা মুঠোফোন টাওয়ার ও সাবমেরিন কেব্‌লনির্ভর। তবে স্টারলিংক কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে এ সেবা দেয়। তাই দুর্গম অঞ্চলেও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার মতো সক্ষমতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

সূত্র: বিবিসি

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!