সোমবার (২ অক্টোবর) বিখ্যাত নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত প্রবন্ধে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অন্যান্য স্যাটেলাইটের সঙ্গে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে এই বিশালাকার ব্লুওয়াকার-৩। মহাকাশে পর্যটন পাঠাতে ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স এককভাবে পাঁচ হাজারের বেশি স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে।
.png)
সারাবিশ্বের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পৃথিবীর কক্ষপথে তারা অন্তত পাঁচ লাখ স্যাটেলাইট পাঠাবে। এসব কিছু নিয়ে জ্যেতির্বিজ্ঞানীরা শঙ্কা করছেন যে এতে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাকাশচারী পেট্রিক সইটজার জানিয়েছেন, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে স্যাটেলাইটের উজ্জ্বলতার কোন সীমা-পরিসীমা নেই। আগামী কয়েক বছরে পৃথিবীর কক্ষপথে আরো অনেক উজ্জ্বল ও বিশালাকার স্যাটেলাইট পাঠানো হবে, যেগুলোর অবস্থান রাতের আকাশের মানচিত্র বা রূপকেই পুরোপুরি বদলে দেবে।
টেক্সাসভিত্তিক টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান এএসটি স্পেসমোবাইল ব্লুওয়াকার-৩ নামের এই স্যাটেলাইটটি গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর উৎক্ষেপণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক সারাবিশ্বে পৌঁছে দিতে এমন উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। স্যাটেলাইটটির অনেকগুলো অ্যান্টিনা ঢেকে রাখার জন্যে একটি সাদা আবরণ ব্যবহার করা হয়েছে যা সূর্যের রশ্মিকে প্রতিবিম্বিত করবে। এই প্রতিফলন এতোটাই তীব্র যে তা চাঁদের প্রতিফলনের মতোই পৃথিবীকে সন্ধ্যার সময় আলোকিত করবে।
মহাকাশ গবেষকরা এই স্যাটেলাইটটিকে যুক্তরাষ্ট্র, চিলি, মেক্সিকো, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও মরক্কো থেকে দেখতে পান। এই স্যাটেলাইটটিকে খালি চোখে উজ্জ্বল ভেনাস এবং নর্থ স্টারের চেয়েও বেশি উজ্জ্বল দেখায়।
মহাকাশ গবেষকরা জানিয়েছেন, পৃথিবীর কক্ষপথে খুব কাছ দিয়ে ঘূর্ণীয়মান স্যাটেলাইটগুলোর উজ্জ্বলতা সবচেয়ে বেশি হতে পারে সাত প্লাস ম্যাগনিচিউটের। ব্লুওয়াকারের উজ্জ্বলতা হচ্ছে তিন প্লাস ম্যাগনিচিউট।