নিহত তিনজন হলেন ৩৯ বছর বয়সী এক নারী, তার ১৪ বছর বয়সী মেয়ে এবং ইরাসমাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩ বছর বয়সী একজন শিক্ষক।
প্রথমে মেডিকেল সেন্টারের কাছে একটি বাড়িতে গুলি চালানো হয়। এতে ওই বাড়িতে আগুন ধরে যায়। এরপর বন্দুকধারী মেডিকেল সেন্টারে হামলা চালান। এ সময় হাসপাতাল থেকে ভীতসন্ত্রস্ত চিকিৎসাকর্মীদের বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। স্ট্রেচার ও হুইলচেয়ারে করে রোগীদেরও বের করে আনেন তারা। বন্দুকধারী ইরাসমাস মেডিকেল সেন্টারের ছাত্র।
.png)
একজন মেডিকেল শিক্ষার্থী একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন, প্রথমে চতুর্থ তলায় গুলি চলায়। চার থেকে পাঁচটি গুলি করা হয়। তারপর একটি পেট্রোলবোমা ছোড়া হয়।
বৃহস্পতিবারের গুলি চালানোর পর এক ব্রিফিংয়ে রটারডাম পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ওই বন্দুকধারী দুই বছর আগেও প্রাণী নির্যাতনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।