চার সন্তানের এই জননীর প্রথম সন্তানের বয়স ৮০ বছর। দ্বিতীয় সন্তানের বয়স ৫০ বছর। তিনি আরব নিউজকে বলেন, পড়ালেখা তার জীবনকে বদলে দিয়েছে।
তিনি যে সেন্টারে ভর্তি হয়েছেন, সেখানে মূলত প্রাথমিক কিছু শেখানো হয়। যার মাধ্যমে অক্ষর চেনা এবং পবিত্র কুরআন পাঠ করতে পারা সম্ভব।
.png)
আল কতানি বলেন, তিনি তার পাঠকে উপভোগ করেন এবং তিনি প্রতিদিন বাড়িতে বসে স্কুল থেকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয় সেটি সম্পূর্ণ করেন।
বিশাতে অবস্থিত শিক্ষামন্ত্রণালয়ের শাখা থেকে একটি পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে, যেখানে ১১০ বছর বয়সেও আল কাতানির আগ্রহের কথা তুলে ধরা হয়েছে। আল কাতানিও সরকারকে অভিবাদন জানিয়েছেন তার মতো নিরক্ষর মানুষকে শিক্ষা গ্রহণের সুবিধা প্রদান করার জন্য।
আল কাতানি আরব নিউজকে আরও বলেন, তার মতো বয়সী মানুষকে শিক্ষা দেওয়া সহজ কোনো কাজ নয়। তবে তিনি মনে করেন, অনেক আগেই তার প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করা উচিত ছিল।
শুধু আল কাতানি একা নন, তার মতো বহু নারী ভৌগলিক অস্থিরতার কারণে শিক্ষাজীবন শেষ করতে পারেনি।
আল কাতানিকে তার সন্তান সহযোগিতা করেন। তারা মনে করেন অনেক আগেই তাদের মায়ের শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত ছিল। তবে আল্লাহ এমনটা চেয়েছেন বলেই হয়েছে।
১১০ বছর বয়সী এই বৃদ্ধার ৬০ বছরের ছেলে মোহাম্মাদ আরব নিউজকে বলেন, মা প্রতিদিন সকালে স্কুলে প্রবেশ করে ক্লাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন।
তার মা প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছেন, এজন্য তাদের আনন্দ হচ্ছে। তবে তার মায়ের পক্ষে এ বয়সে শিক্ষাগ্রহণ মোটেও সহজ হতো না যদিও না তারা সহযোগিতা করতেন। তারা তাদের মায়ের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।