পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আর পাঁচটা দিনের মতো গত ১২ জুলাইও কাজে বেরিয়েছিলেন স্বামী। বাড়িতে ৯ মাসের যমজ সন্তানদের নিয়ে ছিলেন শীতল। তার স্বামী সন্ধ্যায় কাজ থেকে ফেরার পর শীতল জানান, তাদের যমজ সন্তান জানকী ও জানভির মৃত্যু হয়েছে।
শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো বাড়িতে। স্ত্রীর কথা বিশ্বাস করেই দুই শিশুসন্তানের দেহ ময়নাতদন্তে না পাঠিয়ে সোজা কবর দেওয়া হয়। তবে ঘটনার ১৩ দিন পর সন্তানদের খুনের কথা স্বীকার করেন শীতল। এরপরই তার স্বামী পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন।
.png)
পুলিশ গ্রেফতার করে শীতলকে। শীতল স্বীকার করেন, তিনিই বালিশচাপা দিয়ে দুই সন্তানকে হত্যা করেছেন। কিন্তু কেন নিজের দুই সন্তানকে খুন করলেন শীতল? পুলিশ জানিয়েছে, এর কোনো সঠিক জবাব দিতে পারেননি ওই নারী।
এদিকে দুই শিশুর দেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার পরই খুনের প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।