সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, শুক্রবার (২১ জুলাই) সুইডিশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়। এ সময় উগ্রপন্থিদের পবিত্র কুরআন অবমাননার আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া ও সুইডিশ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের কঠোর প্রতিবাদ জানায় সৌদি।
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিষয়টিকে আমরা বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মুসলমানের অনুভূতিকে পরিকল্পিতভাবে আঘাত করা ও বিক্ষোভ উস্কে দেয়- এমন কাজ হিসেবে বিবেচনা করছি।
.png)
বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরো বলে, যে কোনো ধর্মীয় শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক আইন-নীতি লঙ্ঘন করে এমন অসম্মানজনক কাজ বন্ধ করতে অবিলম্বে সুইডেনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। সৌদি আরব সবসময়ই ধর্মীয় বিদ্বেষকে উৎসাহিত করে এমন সব কাজের বিরুদ্ধে।
সুইডেনে সম্প্রতি তথাকথিত বাকস্বাধীনতার নামে একের পর এক কুরআন পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে মুসলিম বিশ্বে। দেশে দেশে সুইডিশ কূটনীতিকদের ডেকে কঠোর ভাষায় নিন্দা জানানো হয়েছে। ইসলামবিদ্বেষী পদক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে সুইডিশ সরকারকে। এই ইস্যুতে জরুরি বৈঠকে বসেছিল জাতিসংঘও।
গত ২৮ জুন পবিত্র ঈদুল আজহার দিন সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের প্রধান মসজিদের বাইরে মুসলিমদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআনে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ করেন সালওয়ান মোমিকা নামের এক ইরাকি অভিবাসী। এর জন্য তাকে অনুমতি দিয়েছিল সুইডিশ পুলিশ।
এর পর পরই প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে মুসলিম বিশ্ব। মধ্যপ্রাচ্যসহ অসংখ্য দেশ এ ঘটনার নিন্দায় সরব হয় ও স্টকহোমকে ধর্মীয় বিদ্বেষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানায়। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ওই একই ব্যক্তিকে গত বৃহস্পতিবার আবারও কুরআন পোড়ানোর অনুমতি দেয় সুইডেন পুলিশ।
সূত্র: আল-আরাবিয়া