আল্লাহর অশেষ কৃপায় ফারিস প্রাণে বেঁচে গেলেও চলে যান কোমায়। এরপর কেটে যায় চারটি বছর। দীর্ঘ সময় পর চলতি বছরের মার্চে কোমা থেকে জেগে ওঠেন ফারিস। কোমা থেকে জেগে ওঠার পর প্রথমেই একটি কোরআন শরীফ চেয়েছিলেন তিনি।
সংবাদ মাধ্যমের ভাষ্য, জেগে উঠার পর বাতিনের মনে হয়, তিনি যেন নতুন এক পৃথিবীতে চলে এসেছেন। বিশ্বে এমন অনেক ঘটনা ঘটে গেছে যার কোনোটাই জানেন না তিনি। তার মধ্যে অন্যতম করোনা ভাইরাস। যার ফলে করোনা ভাইরাসের নাম শুনে রীতিমেতো অবাক হয়ে যান তিনি।
ফারিস আবু বাতিন এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেন, কোমা থেকে জেগে ওঠার পর যখন করোনা মহামারি সম্পর্কে জানতে পারি, তখন বেশ অবাক হয়েছিলাম। সমাজের অনেক পরিবর্তন লক্ষ্য করেছি। শহরের বিভিন্ন পরিবর্তনও দেখতে পেয়েছি।
বাতিন বলেন, কোমা থেকে জেগে উঠার পর অনেক ঘটনা জেনে অবাক হয়েছিলাম। যার মধ্যে অন্যতম ছিল কোভিড-১৯ মহামারি। অনেকে আমাকে কোভিড-১৯ বা করোনা মহামারি সম্পর্কে বলেছিল। আমি এ সম্পর্কে প্রথমে বুঝতে পারিনি, পরে ইউটিউব থেকে মহামারি সম্পর্কে জেনেছি।
বাতিন জানান, কোমা থেকে জেগে ওঠার পর প্রথমেই একটি কোরআন শরীফ চেয়েছিলেন। এছাড়া কোমা থেকে ওঠার পর জানতে পারেন তার স্ত্রী চাকরি করে তার সন্তানদের লালন-পালন করছেন। এ বিষয়টি জেনে তিনি খুব খুশি হন।
.png)