সিএনএন এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চুক্তিটি থেকে সরে এসে বুধবার রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে ইঙ্গিত দিয়েছে, রাশিয়ার সম্মতি ছাড়া ইউক্রেনের শস্য নিতে, কৃষ্ণসাগরে যদি কোনো জাহাজ প্রবেশ করে সেটির ওপর হামলা চালানো হবে। কারণ এসব জাহাজকে অস্ত্রবাহী হিসেবে ধরা হবে।
এ ব্যাপারে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, কৃষ্ণসাগর চুক্তি ছিন্ন এবং সামুদ্রিক মানবিক করিডোর বন্ধ হওয়ায়— ২০ জুলাই ২০২৩ রাত ১২টা থেকে, কৃষ্ণসাগর দিয়ে ইউক্রেনের বন্দরের দিকে যাওয়া সব জাহাজকে অস্ত্রভর্তি কার্গোবাহী হিসেবে ধরা হবে।
.png)
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, জাহাজে যেসব দেশের পতাকা পাওয়া যাবে; সেসব দেশকে ইউক্রেনের পক্ষে ও যুদ্ধে জড়িত হিসেবে ধরা হবে।