শনিবার (১৫ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের এ সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী কিম কিওন-হি। লিথুনিয়ায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলন শেষে এবং পোল্যান্ড সফরের পর তিনি ইউক্রেনে সফর করছেন। রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করার পর ১৭ মাসের মধ্যে এটাই প্রেসিডেন্ট ইউনের প্রথম ইউক্রেন সফর।
.png)
এদিন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলনস্কির সঙ্গে দেখা করেন প্রেসিডেন্ট ইউন। এ সময় জেলনস্কি তার দেশ সফর করায় দক্ষিণ কোরীয় প্রতিপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেছেন, ‘কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্টের আজকের এই প্রথম ইউক্রেন সফরের মধ্য দিয়ে আমাদের দু’দেশের সম্পর্ক ইতিহাসে স্থান পেল। আমরা যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি, তার সবটাই আমাদের দু’দেশের মানুষদের জীবনকে স্বাভাবিক জীবন ও নিরাপদ করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘এই অর্থবহ আলোচনা এবং আপনার শক্তিশালী সমর্থনের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।’
মার্কিন মিত্র দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের অন্যতম অস্ত্র রফতানিকারক দেশ। এ কারণে ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করার জন্য নতুন চাপের সম্মুখীন হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। তবে উত্তর কোরিয়ার ওপর রাশিয়ার প্রভাব থেকে সতর্ক হয়ে মানবিক ও আর্থিক সহায়তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে সিউল।
এদিকে ইউরোপে সেনা মোতায়েন প্রশ্নে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কড়া সমালোচনা করেছেন তার পূর্বসূরী ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাইডেন সম্প্রতি ইউরোপে মোতায়েনের জন্য রিজার্ভ সেনাদের একত্রিত করার বিষয়ে নির্বাহী আদেশে সই করেছেন।
ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সংরক্ষিত বাহিনীকে একত্রিত করার বাইডেনের সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে ইউক্রেনে এই ধরনের পদক্ষেপ মার্কিন সামরিক বাহিনীকে বিপর্যয়ের পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে।’