ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ডলারের ব্যাপক দরপতন, ১৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:০০, ১৪ জুলাই ২০২৩
ডলারের ব্যাপক দরপতন, ১৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতিকে স্থিতিশীল করার প্রক্রিয়ায় দেশটির মুদ্রা ডলারের ব্যাপক দরপতন হয়েছে। এর ফলে এটির দাম ১৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে এসে পৌঁছেছে।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, দুই দশকের মধ্যে গত বছর সবচেয়ে বেশি দরপতন হয়েছে এ মুদ্রার। ডলারের দাম প্রায় ১৩ শতাংশ পড়ে গেছে। মার্কিন মুদ্রার এ ব্যাপক দরপতনের কারণে বিশ্বজুড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন সম্পদের মূল্য বেড়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী জুন মাসে মূল্যস্ফীতি তিন শতাংশ কমেছে। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই অন্যান্য মুদ্রা চাঙা হয়েছে।

Advertisement

বর্তমানে ডলারের সূচক কমে দাঁড়িয়েছে ১০০ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে। ২০২২ সালের এপ্রিলের পর তা সবচেয়ে কম।

এ প্রেক্ষাপটে সুইজ্যারল্যান্ডের মুদ্রার বিপরীতে গ্রিনব্যাকের মান হ্রাস পেয়েছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ। প্রতি ডলারের দাম স্থির হয়েছে শূন্য দশমিক ৮৬৭৫ সুইস ফ্রাঙ্কে। ২০১৫ সালের পর যা সর্বনিম্ন।

দৈনিক ভিত্তিতে গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) বৃদ্ধি পেয়েছে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ। পূর্বাভাসের চেয়ে যা শূন্য দশমিক ১ শতাংশ কম। মাসিক ও বার্ষিক হিসাবেও সেখানে সিপিআই ব্যাপক নিম্নমুখী হয়েছে। ফলে ২০২৩ সালের বাকি সময়ে আর একবার সুদের হার বাড়াতে পারে ফেড। সেটাও প্রত্যাশার চেয়ে কম বেসিস পয়েন্ট।

পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোর দর বেড়েছে ১ দশমিক ১ শতাংশ। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) প্রধান মুদ্রাটির মূল্য নিষ্পত্তি হয়েছে ১ দশমিক ১১৩১ ডলারে। গত বছরের মার্চের পর যা সর্বোচ্চ। স্টার্লিং শক্তিশালী হয়েছে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ। ব্রিটিশ মুদ্রাটির দাম দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ২৯৮৪ ডলারে। বিগত ১৫ মাসের মধ্যে যা সবচেয়ে বেশি।

জাপানি মুদ্রার বিপরীতে প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রার মূল্যমান নিম্নগামী হয়েছে ১ দশমিক ৪ শতাংশ। প্রতি ডলারের দর স্থির হয়েছে ১৩৮ দশমিক ৩৭৫ ইয়েনে। গত ৬ সপ্তাহের মধ্যে যা সবচেয়ে কম।

লন্ডনভিত্তিক মানেক্স ইউরোপের বৈদেশিক মুদ্রা বিশ্লেষণের প্রধান সিমন হার্ভে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেয়েছে। ফলে আর একবার সুদের হার বাড়াতে পারে ফেড। এতে চাপে পড়েছে ডলার।

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!