শুক্রবার জো বাইডেন বলেন, আজ আমি গর্বিত যে যুক্তরাষ্ট্র তার রাসায়নিক অস্ত্রের চুক্তি নিরাপদে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। রাসায়নিক অস্ত্রের ভয়াবহতা থেকে মুক্ত আমাদের বিশ্বের আরও একধাপ কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।
বাইডেন এক বিবৃতিতে বলেন, প্রথমবারের মতো একটি আন্তর্জাতিক অস্ত্র বিধ্বংসী সংস্থা নিজে অস্ত্রের ধ্বংস সম্পূর্ণ যাচাই করেছে। কেনটাকিতে মার্কিন সেনাবাহিনীর ব্লু গ্রাস আর্মি ডিপো ৪ বছরে প্রায় ৫০০ টন রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করেছে।
.png)
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করার পর বিশ্বব্যাপী ব্যাপক নিন্দা জানানো হয়েছিল। কিন্তু অনেক দেশ পরবর্তী বছরগুলোতেও রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার চালিয়ে যায় এবং সময়ের সাথে অস্ত্রগুলোকে আরও উন্নত করে।
১৯৯৩ সালে রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের নীতি জারি করলে তা ১৯৯৭ সালে কার্যকর হয়। যুক্তরাষ্ট্রকে তার সমস্ত রাসায়নিক এজেন্ট এবং যুদ্ধাস্ত্র ধ্বংস করার জন্য চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে।
চলতি বছরের মে মাসে রাসায়নিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সংস্থার (ওপিসিডব্লিউ) প্রধান ফার্নান্দো আরিয়াস বলেছিলেন, অস্ত্র কনভেনশন চুক্তিতে স্বাক্ষরকারীরা ইতিমধ্যেই তাদের রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করেছে। শুধু যুক্তরাষ্ট্র বাকি ছিল। ওপিসিডব্লিউ এর তত্ত্বাবধানে বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষের ৭০ হাজার টনেরও বেশি অস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে।
ইউএস আর্মস কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের মতে, ১৯৯০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রায় ২৮ হাজার ৬০০ টন রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে, যা রাশিয়ার পরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাণ্ডার। স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা হওয়ার সাথে সাথে পরাশক্তি এবং অন্যান্য দেশ রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন নিয়ে আলোচনার জন্য একসাথে যোগ দেয়।
২০১৭ সালে রাশিয়া এক ঘোষণায় তাদের রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের কথা জানিয়েছে।