তার লেখা বইটির নাম ‘দ্য এলিফেন্ট সাঈদ অ্যান্ড দ্য বিয়ার’। বইটিতে হাতি ও ভালুক এ দু’টি প্রাণীর মধ্যে অপ্রত্যাশিত বন্ধুত্ব এবং রাগের ওপর উদারতার জয়ের গল্প লেখা হয়েছে।
সাঈদের মা মোওজা আল দারমাকি বিশ্বরেকর্ড গড়া বইটি সম্পর্কে বলেছেন, ‘যখন সে আমাদের গল্পটি বলে, আমরা অবাক হয়ে যাই। তার স্পষ্ট ধারণা ছিল গল্পটি কেমন হবে এবং এর মাধ্যমে সে কি বার্তা দিতে চায়।’
.png)
সাঈদ শুধু বইটিই লেখেনি। বরং সে এটির অলঙ্করণও করেছে। সংবাদমাধ্যমকে শিশু লেখক সাঈদ বলেছে, ‘আমি বইটি লিখেছি এবং এটি খুবই সহজ ছিল। আমার বোন আমাকে সহায়তা করেছে।’
আরো পড়ুন>> ফ্লাইটে যৌন হয়রানির অভিযোগে সুইডিশ নাগরিক আটক
সাঈদের বইটিকে গিনেজ ওয়ার্ল্ডস রেকর্ডের স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে তার মা মওজা বলেছেন, ‘সাঈদ বইটি সরল বাক্যে লিখেছে। গিনেজ ওয়ার্ল্ডস রেকর্ডের বিচারকরা খুবই সতর্কতার সাথে বইটি পরীক্ষা করেছেন, নিশ্চিত হওয়ার জন্য যে এটি সাঈদ নিজে লিখেছে। মার্চের শুরুর দিকে তাকে চূড়ান্ত স্বীকৃতি দেওয়া হয়।’
সাঈদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা তার ৮ বছর বয়সী বোন আলধাবি। তার বোনও নারী ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে কম বয়সে দোভাষী বইয়ের সিরিজ লেখায় বিশ্বরেকর্ড গড়েছিল।
এদিকে এখন পর্যন্ত ১ হাজার কপি বিক্রি হয়েছে সাঈদের এ বইটি। শিশু স্কুল আলদার এডুকেশন আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সাঈদের বইগুলো বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়। এবং এই অনুষ্ঠানে সাইদকে সংবর্ধনাও দেওয়া হয়।
সূত্র: খালিজ টাইমস