বুধবার (২৯ মার্চ) এটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এরদোয়ান বলেছেন, ‘খুব সম্ভবত পুতিন ২৭ এপ্রিল তুরস্কে আসবেন, এমন একটি সম্ভাবনা আছে। অথবা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন তিনি।’
তুরস্ক পারমাণবিক চুল্লিটির প্রথম ইউনিটে প্রথম জ্বালানি দেবে আগামী ২৭ এপ্রিল এবং সেদিনই এটিকে পারমাণবিক চুল্লির স্বীকৃতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এরদোয়ান।
.png)
আরো পড়ুন>> পশ্চিমবঙ্গে হাতির জন্য তৈরি হচ্ছে ‘খাদ্যভাণ্ডার’
তবে গত শনিবার ফোনালাপ হয় এরদোয়ান ও পুতিনের। ওই ফোনের পর ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ দুই নেতা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। যার মধ্যে আক্কু পারমাণবিক চুল্লির বিষয়টিও ছিল।
এদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। আন্তর্জাতিক এ আদালতের যেসব সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে— তাদের বিধান অনুযায়ী, যদি পুতিন সেসব সদস্য রাষ্ট্রে যান তাহলে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে। তবে তুরস্ক এ আদালতের সদস্য নয়। এছাড়াও আইসিসির গ্রেফতারি পরোয়ানার ব্যাপারে উদাসীন রাশিয়া তারা এই আদালতের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেন।
সূত্র: রয়টার্স