স্থানীয় সময় রোববার এ ঘটনা ঘটে। সাব-সাহারান দেশটির অভিবাসীরা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন।
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত চারদিনে পাঁচটি নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৬৭ জন নিখোঁজ হয় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়। এদের বেশির ভাগই আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক।
.png)
ল্যাম্পেডুসা দ্বীপে ইতালীয় কর্মকর্তারা বলছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ২ হাজার ৫শ’ অভিবাসী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি প্রবেশের চেষ্টা করেছে।
জাতিসংঘের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, অন্তত ১২ হাজার অভিবাসী এ বছর তিউনিসিয়া থেকে ইতালির উপকূলে অবতরণ করেছে। গত বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩শ’।
এদিকে তিউনিসিয়ার উপকূলরক্ষীরা দাবি করেছে, তারা অভিবাসী পারাপার বন্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে। গত চার দিনে ইউরোপের দিকে রওনা হওয়া প্রায় ৮০টি জাহাজকে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৩ হাজারের বেশি অভিবাসীকে আটক করার দাবি করেছে তারা।
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে লিবিয়া, তিউনিসিয়ার কয়েকটি রুট সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। গত কয়েক বছর ধরেই তিউনিসিয়া হয়ে ইউরোপে প্রবেশে অভিবাসীদের ঢল বেড়েছে।
উন্নত জীবনের আশায় প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিচ্ছেন হাজারো মানুষ। এদের মধ্যে কেউ ইউরোপে প্রবেশ করতে পারলেও দীর্ঘ এই সমুদ্রযাত্রায় প্রাণ হারাতে হয় অনেককে। তবুও থামানো যাচ্ছে না তাদের এ ইউরোপ যাত্রা।