শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
গুয়ানতানামো বে কারাগার বন্ধ করার অংশ হিসেবে সেখানকার বন্দিদের ধীরে ধীরে মুক্তি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর প্রেক্ষিতে ২০ বছর পর ছাড়া পেয়েছেন পাকিস্তানি নাগরিক ৫৫ বছর বয়সী আব্দুল এবং ৫৩ বছর বয়সী মোহাম্মদ রব্বানি।
.png)
আরো পড়ুন>> বিশ্বজুড়ে প্রভাব হারাচ্ছে পশ্চিমারা
২০০২ সালে তাদের নিজ শহর করাচি থেকে গ্রেফতার করে দুই ভাইকে মার্কিন হেফাজতে স্থানান্তর করেছিল পাকিস্তানি কর্মকর্তারা। মার্কিন কর্মকর্তারা দু’জনের বিরুদ্ধে আল-কায়েদা সদস্যদের আবাসন এবং অন্যান্য নিম্ন-স্তরের লজিস্টিক সহায়তার জন্য অভিযুক্ত করেছেন।
গুয়ানতানামোতে স্থানান্তর করার আগে সিআইএ হেফাজতে থাকাকালীন নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন ভাইরা।
২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার পর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসন কিউবায় এই কারাগার তৈরি করে। যেখানে এই হামলার সঙ্গে জড়িত কথিত সন্দেহভাজনদের নিয়ে যাওয়া হতো।
আরো পড়ুন>> রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চীনের শান্তি প্রস্তাব
২০০৩ সালে গুয়ানতানামো বে কারাগারে প্রায় ৬০০ জন আটক ছিলেন। ওই সময় এই কারাগারের বৈধতা ও বন্দিদের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, গুয়ানতানামোতে আটক সবাই সন্ত্রাসী। তাদের আটকের মাধ্যমে হামলা ঠেকানো হয়েছে।
বর্তমানে কুখ্যাত এ কারাগারে আরো ৩২ জন রয়ে গেছেন। তাদের বেশিরভাগই ইয়েমেনি নাগরিক।