ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

আমার প্রজন্ম রাশিয়াকে কখনো ক্ষমা করবে না: ইউক্রেনের সেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:৩২, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
আমার প্রজন্ম রাশিয়াকে কখনো ক্ষমা করবে না: ইউক্রেনের সেনা
ইউক্রেনীয় সেনা - ফাইল ছবি

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। প্রথম দিকে সামরিক অভিযানে বললেও চলতি বছরের শুরুর দিকে এটিকে ‘যুদ্ধ’ বলে সম্বোধন করেন পুতিন। এই যুদ্ধের আজ এক বছর পূর্তি হলো।

বছর ধরে চলা যুদ্ধে প্রাণ গেছে উল্লেখ সংখ্যক রুশ ও ইউক্রেনীয় সৈন্যের। ধ্বংস হয়ে গেছে ইউক্রেনের সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামো। নিজের ঘর ছেড়ে অন্য দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ইউক্রেনের অনেকে।

এক কথায় বলতে গেলে, এক বছরে পুরোপুরি পাল্টে গেছে ইউক্রেনের চিত্র। অনেক বেসামরিক নিজের দেশকে রক্ষায় যুদ্ধে যোগ দিয়েছেন।

Advertisement

আরো পড়ুন>> ইউক্রেনে শান্তি ফিরবে কবে?

তাদের একজন ওলেক্সান্ডার প্রোতুস্ক। যুদ্ধের আগে প্রোতুস্ক স্যানিটারি মিস্ত্রির কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি যুদ্ধের সম্মুখভাগে লড়াই করছেন। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার হামলার পর তার জন্য ‘সব কিছুই বদলে গেছে।’ বর্তমানে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করতে হচ্ছে তাকে, পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি।

তিনি বলেন, ‘আমি একজন বেসামরিক, সিঙ্গেল ও কঠোর পরিশ্রমী মানুষ ছিলাম। আমি কখনো সেনাবাহিনীতে কাজ করিনি। কিন্তু যুদ্ধ আমাকে হাতে অস্ত্র তুলে নিতে বাধ্য করেছে। সাবেক ‘ভ্রাতৃতুল্য’ দেশ হামলা করায় নিজ দেশকে রক্ষায় আমাকে অস্ত্র হাতে তুলে নিতে হয়েছে।’

তিনি আরো বলেছেন, ‘সবচেয়ে কঠিন বিষয় ছিল, দেখেছি তরুণরা যুদ্ধ করতে এসেছিল কিন্তু মাত্র দুই-তিন দিন পরই তারা নিহত হয়েছে।’

প্রোতুস্ক দোনেৎস্কের সম্মুখভাগে যুদ্ধ করছেন। কিন্তু বর্তমানে রাজধানী কিয়েভে আছেন।

আরো পড়ুন>> রাশিয়া কী চায়?

তিনি জানিয়েছেন, ১০ দিনের ছুটিতে একটু বিশ্রাম নিতে কিয়েভে এসেছেন। কিন্তু ছুটি শেষে আবারও যুদ্ধের ময়দানে ফিরে যাবেন তিনি।

প্রোতুস্ক আশা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘এক বছরের মধ্যে ইউক্রেন উন্নতি লাভ করবে। ইউক্রেন একটি স্বাধীন দেশ হবে। রাশিয়া থেকে নিজেদের আলাদা করতে আমরা সীমান্তে বিশাল প্রাচীর তৈরি করব। তারা তাদের মতো চলুক। আর প্রাচীরের ওই পাশে পচুক।’

তিনি আরো বলেছেন, ‘পশ্চিমারা আমাদের সঙ্গে উন্নতি করবে। আমরা ইউরোপের অংশ। আমরা রাশিয়ার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছি। আমার প্রজন্ম রাশিয়াকে কখনো ক্ষমা করবে না। আমি আশা করি এর পরের প্রজন্মও রাশিয়াকে ক্ষমা করবে না। আমি আশা করি।’

সূত্র: আল-জাজিরা

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!