এক প্রতিবেদনে দ্য স্টার জানিয়েছে, ২৯ বছর বয়সী মুহাম্মদ জাহিদ আব্দুল গাফফারের সঙ্গে তিন সপ্তাহ আগে ইয়াসমিন আব্দুল্লাহর বিয়ে হয়। প্রতিদিন স্ত্রী ইয়াসমিনকে নিজের বাইকে করে তার কর্মক্ষেত্র ডেন্টাল ক্লিনিকে পৌঁছে দিতেন জাহিদ।
সোমবার মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনার শিকার হন এই দম্পতি। মালয়েশিয়ার তাম্পিয়ান্স এক্সপ্রেসওয়েতে ত্রিমুখী সড়ক দুর্ঘটনার মুখে পড়েন। ঐ দুর্ঘটনায় জাহিদ বেঁচে গেলেও মারা গেছেন ইয়াসমিন।
.png)
জাহিদ পেশায় একজন সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক। তার বোন এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, তার ভাইয়ের অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তিনি বলেন, সে গুরুতর আহত হয়েছিল এবং তার বেশ কয়েকটি অপারেশন করতে হয়েছে।
ইয়াসমিনের বাবা আব্দুল্লাহ সুনইয়ার বলেন, গত ২৯ জানুয়ারি আমার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চেয়েছিল ইয়াসমিন।