দেশটির জিওস্পেশিয়াল ইনফরমেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী মাসে হালনাগাদকৃত নতুন মানচিত্রটি প্রকাশ করা হবে। সেখানে নতুন আবিষ্কার হওয়া দ্বীপগুলোর অন্তর্ভুক্তি থাকবে।
এর আগে ১৯৮৭ সালে ভূতাত্ত্বিক জরিপ পরিচালনা করে জাপান কোস্টগার্ড। এতদিন ওই জরিপভিত্তিক মানচিত্র দিয়েই চলছিল। জাপানের মানুষ তাদের সীমানার ভেতরে থাকা সাত হাজারের মতো ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে তেমন জানত না। বর্তমান মানচিত্র অনুযায়ী, দেশটিতে সব মিলিয়ে দ্বীপের সংখ্যা ৬ হাজার ৮৫২।
.png)
সংবাদমাধ্যম কিওদো নিউজ জানায়, আবিস্কার হওয়া দ্বীপগুলো নিয়ে জাপানের মোট দ্বীপের সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭ হাজার ১২৫। ৩৫ বছর আগের ওই জরিপে বাদ পড়েছিল নদী ও জলাশয়ে থাকা অনেক দ্বীপ।
আরো পড়ুন>> আকস্মিক সফরে ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট বাইডেন
নতুন এ দ্বীপগুলোর অবস্থান দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানের নাগাসাকি অঞ্চলে। এগুলো থেকে জাপানের মূল চারটি দ্বীপে যাওয়া কঠিন নয়। সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এ দ্বীপগুলোর নামকরণ করবে।
সম্প্রতি টোকিও তাদের স্থানীয় সরকারকে দ্বীপগুলো শনাক্তের জন্য চাপ দেয়। সেই সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এগুলোর নামকরণে জোর আরোপ করে। অনেক নতুন দ্বীপ আবিস্কৃত হলেও জাপানের আকৃতিতে কোনো পরিবর্তন আসছে না।
পূর্ব চীন সাগরে জাপানের আরো কিছু দ্বীপ রয়েছে, যেগুলো নিয়ে চীনের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব চলছে। দ্য সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ নিয়ন্ত্রণ করে টোকিও। সম্প্রতি চীন এ দ্বীপগুলো তাদের বলে দাবি করছে। এসব দ্বীপের চারপাশে চীনের কোস্টগার্ডকে টহলও দিতে দেখা যায়।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান