গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন বৃদ্ধি ও তার ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবের পরিণতি যে আগামী দিনে আরও খারাপ হতে চলেছে সে ব্যাপারে প্রতিনিয়তই হুশিয়ারি দিয়ে আসছেন বিজ্ঞানীরা।
চলতি মাসেই নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে পৃথিবীর সব অঞ্চলের হিমবাহের পরিমাণ ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে। বলা হয়েছে, ২১০০ সালের আগেই গলে যাবে ইউরোপের ৮৫ শতাংশ হিমবাহ।
.png)
বিজ্ঞানীদের ভয়ংকর এসব হুশিয়ারির মধ্যেই অ্যান্টার্কটিকার বরফখণ্ড খসে পড়ার এই খবর সামনে এলো। তবে অ্যান্টার্কটিকা বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিকা সার্ভে (বিএএস) বলেছে, বরফখণ্ডটির খসে পড়ার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নয়। তাদের মতে, এটা ‘কালভিং’ নামক প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় এমনটা ঘটছে।
আরো পড়ুন>> যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারিয়ে চরম বিপাকে হাজার হাজার ভারতীয় কর্মী
অ্যান্টার্কটিকার ব্রান্ট আইস শেল্ফ হিমবাহে কয়েক বছর আগেই বড় ফাটল চিহ্ণিত করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘ সময় পর সম্প্রতি প্রায় ১৫০ মিটার পুরু ওই হিমবাহ থেকে বরফখণ্ডটি বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে। এর আয়তন ১ হাজার ৫৫০ বর্গ কিলোমিটার যা যুক্তরাজ্যের রাজধানী গ্রেটার লন্ডনের আয়তন থেকে মাত্র ১৯ বর্গকিলোমিটার কম।
এর আগে গত বছর ১ হাজার ২৭০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের আরও একটি বরফখণ্ড খসে পড়েছিল। এরও প্রায় চার বছর আগে ২০১৭ সালে লন্ডনের প্রায় চার গুণ আয়তনের সমান বিশাল এক বরফখণ্ড অ্যান্টার্কটিকার বরফস্তর থেকে খসে পড়েছিল।
ওই বরফখণ্ডটি অ্যান্টার্কটিকার লার্সেন সি আইস শেলফ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। এর আয়তন ছিল প্রায় ৫ হাজার ৮০০ বর্গকিলোমিটার। আর ওজন ছিল প্রায় এক ট্রিলিয়ন টন। সেটা ছিল এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় আকারের বরফখণ্ড খসে পড়ার ঘটনা।
সূত্র: ডেইলি মেইল