ঢাকা,  শুক্রবার   ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ফাহিমকে হত্যা করার জন্যই ইলেকট্রিক করাত কেনেন হাসপিল

আদালতকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:০২, ১৮ জুলাই ২০২০
ফাহিমকে হত্যা করার জন্যই ইলেকট্রিক করাত কেনেন হাসপিল
ফাহিমকে হত্যা করার জন্যই ইলেকট্রিক করাত কেনেন হাসপিল। ছবি: সংগৃহীত

পাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ খুন হওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার টেরেস ডেভোন হাসপিলকে ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে হাজির করা হয়েছে। করোনাভাইরাসের জেরে নিউইয়র্কের আদালতে ভার্চ্যুয়াল শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ম্যানহাটনের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি লিন্ডা ফোর্ড কনফারেন্সে আদলতকে বলেন, ফাহিমকে হত্যা করার আগে হোমডিপো নামের দোকান থেকে ইলেকট্রিক করাত ও ধোয়ামোছার সরঞ্জামাদি কেনেন হাসপিল। যা ফাহিম সালেহর অ্যাপার্টমেন্টে পাওয়া গেছে। এতে বোঝা যায়, ফাহিমকে হত্যার জন্যই ইলেকট্রিক করাত কেনেন হাসপিল। সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওতেও দেখা যাওয়া সন্দেহভাজন খুনির পোশাক টেরেস হাসপিলের ব্রুকলিনের বাড়িতে পাওয়া গেছে।

আদালতে উপস্থাপন করা হয়, সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ফাহিম গত সোমবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের সময় সর্বশেষ তার অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করেন। এ সময় সপ্তম তলায় যাওয়ার জন্য তিনি যখন নিচতলা থেকে  লিফটে চড়েন তখন আরো এক ব্যক্তি লিফটে উঠেন। ফাহিম সন্দেহের দৃষ্টিতে অচেনা ওই লোকটির দিকে তাকিয়েছেন বলেও ভিডিওতে দেখা গেছে। এরপর সে ফাহিমের সঙ্গেই সপ্তম তলায় নেমে পড়েন। ফাহিম তার অ্যাপার্টমেন্টের দরজা খোলা মাত্রই লোকটি তার ওপর আক্রমণ চালায় এবং ধাক্কা দিয়ে তাকে রুমের ভেতরে ঢুকিয়ে ফেলে।

Advertisement

লিন্ডা ফোর্ড বলেন, এ মামলার ক্ষেত্রে বিস্তর প্রমাণ রয়েছে। অপরাধ সংঘটনের আগে ও পরে তাকে নজরদারি ক্যামেরায় দেখা গেছে। ভিডিও টেপ দেখে অন্তত দুইজন ব্যক্তি তাকে শনাক্ত করতে পেরেছে।

এই হত্যাকাণ্ডের মোটিভ সম্পর্কে প্রসিকিউশন এখনো চূড়ান্ত নন। অর্থের লেনদেন এবং ব্যক্তিগত বিষয়ই ফাহিম হত্যার কারণ বলেই ধারণ করা হচ্ছে। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে , হ্যাসপিল কোনো অর্থ ফেরত দিয়েছেন কি না, সেটি তারা খতিয়ে দেখছেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনা সম্পর্কে অবগত ৩ জন কর্মকর্তা তাদের জানিয়েছেন, ফাহিমের কাছ থেকে আগে ৯০ হাজার ডলার চুরি করেছিল হাসপিল। ফাহিম তখন তাকে নিজের প্রতিষ্ঠান থেকে বরখাস্ত করেছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি। বরং হাসপিল যেন কিস্তিতে টাকাটা ফেরত দিতে পারে, তার পথ বাতলে দিতে চেয়েছিলেন তিনি। লিন্ডা ফোর্ড এসব সূত্রও আদালতের সামনে উপস্থাপন করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এনকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!