স্বামীর সঙ্গে পাকিস্তানে গিয়ে বিয়ে করলো লাহোরের যুবককে তরুণী
শুনতে সিনেমার মতো হলেও সিনেমা নয়, বাস্তবেই ঘটেছে এমন এক ঘটনা যা সবাইকে চমকে দিয়েছে। স্বামীর সঙ্গে পাকিস্তানে গিয়ে এক পাকিস্তানি যুবককে বিয়ে করলেন কলকাতার তরুণী। স্ত্রীকে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া, বিয়ের পিড়িতে বসানো, সব দায়িত্ব পালন করলেন স্বামী। তাও আবার গুরুপর্বে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন ঐ শিখ তরুণী। এই ঘটনায় শিখ সম্প্রদায় অসম্মানিত হয়েছে, মনে করছেন দিল্লির শিখ গুরুদুয়ার কর্তৃপক্ষের প্রাক্তন সভাপতি।
কলকাতার এক শিখ যুবক আটারি সীমান্ত পার হয়ে লাহোরে গিয়ে নিজের স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন এক পাকিস্তানি যুবকের। বিয়ের আগে ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হন তরুণী। তরুণীর নতুন নাম হয় পারভিনা সুলতানা। মোহাম্মদ ইমরান নামে লাহোরের বাসিন্দা ঐ যুবকের সঙ্গে কলকাতার বিবাহিতা ঐ নারীর পরিচয় হয় ফেসবুকের মাধ্যমে। দুজনের প্রেমপর্বের আখ্যান অজানা ছিল না তরুণীর স্বামীর কাছে।
জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় লাহোরের ইমরানের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল কলকাতার তরুণীর। তবে বিষয়টি জানতেন তরুণীর স্বামী। সেই কারণেই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন স্বামী। তবে, বিয়ে হলেও নতুন স্বামীর সঙ্গে পাকিস্তানে থাকা হয়নি কলকাতার তরুণীর। কারণ সেই অনুমতি দেয়নি পাক প্রশাসন। একই কারণে ইচ্ছে থাকলেও কলকাতায় আসতে পারেননি ইমরান। তবে এরই মধ্যে পাকিস্তানি ভিসার জন্য আবেদন করেছেন ধর্মান্তরিত পারভিনা সুলতানা।ভিসা হয়ে গেলেই পাকিস্তানে গিয়ে থাকবেন তিনি।
.png)
সিনেমায় এমন কাণ্ড ঘটলেও বাস্তবে স্বামী স্ত্রীর বিয়ে দিচ্ছে এমন ঘটনা শোনা যায় না। শিখ সমাজ এই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষুব্ধ। প্রবক্তাদের মতে, শিখ ধর্ম অপমানিত হয়েছে এই ঘটনায়।