ঢাকা,  সোমবার   ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ তথ্য প্রযুক্তি ]

ক্রিপ্টো চুরির পর স্বাভাবিক হচ্ছে বাইন্যান্সের কার্যক্রম

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৩১, ২ নভেম্বর ২০২৬
ক্রিপ্টো চুরির পর স্বাভাবিক হচ্ছে বাইন্যান্সের কার্যক্রম
ছবি: রয়টার্স

বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্সের কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। বড় ধরনের নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনায় বিপুল পরিমাণ ডিজিটাল সম্পদ চুরির পর গ্রাহকদের মধ্যে অর্থ উত্তোলনের প্রবণতা বাড়লেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনার পর বাইন্যান্স থেকে গ্রাহকেরা ৩৬৪ কোটি ডলার তুলে নিয়েছেন। যা প্রতিষ্ঠানটির মোট সম্পদের ২ দশমিক ১ শতাংশ। তবে শুরুতে অর্থ উত্তোলনের চাপ বাড়লেও এখন তা কমে এসেছে। একই সঙ্গে নতুন করে আমানত জমার পরিমাণও উল্লেখযোগ্য রয়েছে।

গত রোববার বাইন্যান্স জানায়, চুরি হওয়া ক্রিপ্টো সম্পদের প্রায় ৯৫ শতাংশ, অর্থাৎ ৬০০ কোটি ডলারের সম্পদ নিজেদের অর্থ ব্যবহার করে পুনরুদ্ধার করেছে তারা।

বাকি ৫ শতাংশ সম্পদের মধ্যে তুলনামূলক কম তারল্যসম্পন্ন কিছু টোকেন রয়েছে। এসব সম্পদ পুনরুদ্ধারে আরও সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাইন্যান্স আরও জানায়, গ্রাহকদের চাহিদা বিবেচনায় ধাপে ধাপে অর্থ উত্তোলনের সুবিধা চালু করা হয়েছে। প্রথম ধাপে বিটকয়েন, ইথার, ইউএসডিসি, ইউএসডিটি ও ডজকয়েনসহ ১৫টি টোকেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বর্তমানে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে।

বাইন্যান্সের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনাধীন মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১৭ হাজার ১০০ কোটি ডলার। বিশ্বজুড়ে তাদের নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৩৩ কোটি ৫০ লাখ।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সাইবার ইউনিট ‘ট্রেডারট্রেইট’ এ হামলার জন্য দায়ী। সংস্থাটির দাবি, চুরি করা সম্পদ ইথারে রূপান্তরের চেষ্টা করছে হামলাকারীরা।

ব্লকচেইন বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান টিআরএম ল্যাবস ও চেইন্যালাইসিসও এ হামলায় উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এ ঘটনায় উত্তর কোরিয়ার সম্পৃক্ততা এখনো নিশ্চিত নয়।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত শুক্রবার বিটকয়েনের দাম ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়। পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে সোমবার ৭৮ হাজার ডলারের ওপরে লেনদেন হচ্ছিল। অন্যদিকে ইথারের দামও দুই মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়ার পর কিছুটা পুনরুদ্ধার হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!