ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ স্বাস্থ্যকথা ]

যে রোগে নারীরা নিজেদের অন্তঃসত্ত্বা মনে করেন

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:১৯, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
যে রোগে নারীরা নিজেদের অন্তঃসত্ত্বা মনে করেন
ফাইল ফটো

মাসিক বন্ধ অনেক কারণেই হয়ে থাকে, তার মধ্যে প্রেগন্যান্সি অন্যতম কারণ। কোনো কোনো নারীর হরমোনের তারতম্যের কারণে মাসিক বন্ধ হয়ে থাকে। তখন কেউ কেউ নিজেকে অন্তঃসত্ত্বা মনে করেন এবং মানসিক পরিবর্তন হয়ে থাকে। আর এই কারণে অনেকের গর্ভের লক্ষণগুলো যেমন বমির ভাব হয়ে থাকে, এমনকি অনেকে বমিও করে থাকেন।

ধীরে ধীরে পেট বড় হতে থাকে, বিশেষ করে ওজন যাদের বেশি। অনেকে বাচ্চার নড়াচড়াও বোঝেন বলে জানান। এসবই ঘটে মানসিক পরিবর্তনের জন্য। তাদের পেটে হাত দিয়ে আমরা সহজে জরায়ু শনাক্ত করতে পারি না। তাদের হিসেবে ১০ মাস হয়ে গেলে অনেকে ব্যথাও অনুভব করে থাকেন। আজকাল হাতের নাগালে আলট্রাসনোগ্রাফি করার সুযোগ থাকায় অতি সহজেই আমরা বলতে পারি- তিনি অন্তঃসত্ত্বা নন।

৯৮৫ সালে আল্ট্রাসাউন্ড হাতের নাগালে ছিল না। তখন ইউরিন টেস্ট করিয়ে ভুল ভাঙাতে হতো। ঐ সময় গ্রামাঞ্চলের অনেক নারী কোনো টেস্ট করাতেন না, চিকিৎসকের কাছে যেতেন অনেক পরে।

Advertisement

এই প্রসঙ্গের অবতারণা করেছি পাবনার ঘটনা শোনার পর। ওখানে সবারই দোষ ছিল। ক্লিনিক, ক্লিনিকের কর্তব্যরত চিকিৎসক এবং সংশ্লিষ্ট গাইনিকোলজিস্টের।

পাবনার একজন স্বনামধন্য গাইনিকোলজিস্ট ২০০১ সাল থেকে ঐ এলাকায় সেবা দিয়ে এসেছেন। অনেক মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। আজ পরিণত বয়সে এমন ভুল তার পক্ষে সম্ভব না হলেও তিনি ভুল করেছেন এবং মিডিয়াতে তিনি তা স্বীকারও করেছেন।

রোগীর লোকজন False pregnancy (ভুয়া গর্ভধারণ) ব্যাপারটা বুঝতে পেরে তাদের অভিযোগ তুলে নিয়েছেন। গণমাধ্যমে ঐ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বাচ্চা চুরির অভিযোগ তোলা হয়েছিল। তাই কোনো সংবাদ প্রকাশ করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।

লেখক: ডা. সুধাকর কৈরী, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!