শুক্রবার বেলা ১টা ৪৫ মিনিটে ওয়ারেন শহরের রায়ান সড়কের এলিভেন মাইলের গারবর স্ট্রিটে এ ঘটনা ঘটে।
আল রাজীর বাবা মোহাম্মদ আতিক হোসেন গণমাধ্যমে বলেন, সে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অস্বাভাবিক আচরণ করছিল। তখন জরুরি সেবা ৯১১ এ কল দেওয়া হয়। তবে পুলিশ তাকে গুলি করে মেরে ফেলুক এটি আমরা চাইনি।
.png)
জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে আল রাজী নিজের ঘরে মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন। তার এমন আচরণে পরিবারের সদস্যরা ভয় পেয়ে এক পর্যায়ে গাড়ির গ্যারেজে আশ্রয় নেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে এসে যুবকটির হাতে অস্ত্র দেখা যায়। সেটি ফেলে দিয়ে আত্মসমর্পণ করতে বলে পুলিশ। কিন্তু ঐ যুবক এতে কর্ণপাত করেননি। এক পর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে অস্ত্র প্রদর্শন করলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঐ যুবককে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ওয়ারেন পুলিশ অফিসার ক্যাপ্টেন ছ্যারলেস রোশটন।
আতিক হোসেনের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার পৌর এলাকার সুপাতলায়। তিন ছেলে দুই মেয়ের মধ্যে আল রাজী বড়। সাত বছর আগে ফ্যামিলি ভিসায় তারা আমেরিকা যান। ওয়ারেন শহরের রায়ান সড়কের এলিভেন মাইলের গারবর স্ট্রিটে থাকেন।