গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ ও পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬-এ অভিযোগ আনা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক রুসলিন জুশো বলেছেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম গ্রহণের জন্য পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন বিভাগে রাখা হয়েছে।
.png)
তিনি বলেন, সন্দেহভাজন মিয়ানমারের নাগরিক মদুস অপেরান্দি অবৈধ বিদেশি শ্রমিকদের বৈধ করার নামে প্রতারণা করতেন। তিনি এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন। তার মূল টার্গেট ছিল বাংলাদেশি ও ইন্দোনেশীয়রা। এই চক্র বৈধতার জন্য নিবন্ধনের নামে জনপ্রতি ১৫০০-২০০০ রিঙ্গিত করে নিতো। চক্রটি প্রায় এক বছর ধরে এ প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছিল।
গ্রেফতারকৃত মিয়ানমারের নাগরিক জবানবন্দিতে বলেন, মালয়েশিয়াতে তার স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন (পিআর) রয়েছে। আর তার সঙ্গী বাংলাদেশির রয়েছে অস্থায়ী কাজের অনুমতিপত্র (পিএলকেস)। তারা দুজনই মালয়েশিয়ার নাগরিকদের বিয়ে করেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক রুসলিন জুশো বলেন, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ৯১ হাজার ৫৫০ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, ১২ বাংলাদেশি পাসপোর্ট, ইন্দোনেশিয়ার পাসপোর্টের ফটোকপি, বিভিন্ন কোম্পানিতে ভুয়া নিয়োগ, মালয়েশিয়ায় বৈধতার আবেদনের ভুয়া নথি এবং মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে অধিক তদন্তের জন্য তিনজন স্থানীয় নাগরিককেও নোটিশ দেওয়া হয়েছে।