অভিবাসন বিভাগ বলছে, অভিযানের আগে অভিবাসীদের অনুপ্রবেশের বিষয়ে স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে অভিযোগ ও তথ্য নেয়া হয়। পরে পুলিশ এলাকায় প্রায় এক মাস ধরে গোয়েন্দা ও নজরদারি চালায়।
জানা গেছে, আটকদের মধ্যে কয়েকজন অভিবাসী খুচরা পণ্যের দোকান চালাত এবং ঐসব এলাকার অ্যাপার্টমেন্টে থাকা বিদেশি গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে নিজ দেশ থেকে পণ্য এনে বিক্রি করত।
.png)
প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে জানানো হয়েছে, আটক অভিবাসীদের বৈধ ভ্রমণ নথি ছিল না।
ডকুমেন্টেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আটক অভিবাসীদের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে সেমুনিয়াহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে নিয়ে রাখা হয়েছে।