গত কয়েক বছরের তুলনায় ২০২৩ সালে ফ্যামিলি রিউনিফিকেশন ভিসায় পর্তুগালে এসেছেন কয়েকশ’ প্রবাসীর স্ত্রী ও তাদের ১৮ বছরের কম বয়সী সন্তান। নতুন আসা অভিবাসীদের জন্য গেল বছরের শেষ সময় থেকে চলতি বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ছিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিভিন্ন প্রক্রিয়া।
এদিকে আবাসন সমস্যাসহ সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেয়ার চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি, সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় ছিল বাচ্চাদের শিক্ষা নিশ্চিত করা। সব জটিলতা শেষে সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষে স্কুল-কলেজগুলোতে শিক্ষার সুযোগ পেয়েছে কয়েকশ’ বাংলাদেশি শিশু-কিশোর।
.png)
অনেক শিশুর প্রথমবার স্কুলে যাওয়া, আবার অনেকে পেয়েছে দীর্ঘ বিরতির পর নতুন সহপাঠীদের সঙ্গে নতুন করে ক্লাসে বসার সুযোগ। চমৎকার পরিবেশে শিক্ষার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত এই শিশু-কিশোর ও তাদের অভিভাবকরা। প্রবাসী শিশুদের সঙ্গে নিজেদের বাচ্চাদের শিক্ষাকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছে পর্তুগীজরাও।
তারা বলছেন, বাচ্চাদের ভাব বিনিময়ের জন্য ভাষা কোনো প্রতিবন্ধকতা নয়। ভিন্ন সংস্কৃতির বাচ্চাদের সঙ্গে মিশতে পেরে আমাদের শিশুরাও নতুন কিছু শিখছে। আমরা এটাকে অবশ্যই ইতিবাচকভাবে দেখছি।
রাজধানী লিসবন, বন্দরনগরী পোর্তোসহ বাংলাদেশিদের বসবাস থাকা পর্তুগালের ছোট-বড় বিভিন্ন শহরের অনেক স্কুলেই এখন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পদচারণা। স্কুলে গিয়েই পর্তুগীজ ভাষায় দক্ষতা বাড়তে শুরু করেছে শিশু-কিশোরদের।