নিহত কামাল চাঁদপুর জেলার মতলব থানার শফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি দোকানটিতে ৪ বছর ধরে কর্মরত ছিলেন। আহত গাফফার হোসেনের বাড়ি গাজীপুর জেলায়।
কামালের মরদেহ যত দ্রুত সম্ভব দেশে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন কেপটাউনের বাংলাদেশি প্রবাসীদের সম্প্রদায়।
.png)
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, দুদিন আগে মোবাইল ফোন হারানোর ক্ষোভ থেকে দুই একজনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে— এ কারণেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি প্রবাসী ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে প্রাণঘাতি হামলা চালানোর ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগত ছয় মাসে সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২০ বাংলাদেশি।