ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বিনোদন ]

ফুলশয্যায় স্ত্রীর বদলে মা, নেটদুনিয়া নিন্দার ঝড়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:০৯, ২৭ জুলাই ২০২৩
ফুলশয্যায় স্ত্রীর বদলে মা, নেটদুনিয়া নিন্দার ঝড়
ছবি: সংগৃহীত

বাহারি ফুল দিয়ে সজ্জিত খাট। বিছানায় শুয়ে আছেন পরাগ ও তার মা। অন্যদিকে মুখ গোমড়া করে সোফায় শুয়ে আছেন নববধূ শিমুল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি স্থিরচিত্রে এমন দৃশ্য দেখা যায়। যা নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়ে গেছে নেটদুনিয়ায়।

ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি বাংলায় প্রচার হচ্ছে ‘কার কাছে কই মনের কথা’ সিরিয়াল। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৬টায় প্রচার হয় নাটকটির একটি পর্ব। এতে দেখা যায়, গল্পের পরাগ-শিমুলের ফুলসজ্জার রাতে তাদের ঘরের দরজায় কড়া নাড়েন পরাগের মা। আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন পরাগের মা। ফলে ছেলের সঙ্গে ঘুমান তিনি। আর নববধূ সোফায় শুয়ে পড়েন।

টিভিতে নাটকটি প্রচারের পর বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর চর্চা চলছে। কারণ এমন চিন্তাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেননি নেটিজেনরা। সাগরিকা পাল লিখেছেন, এরকম দৃশ্য হতে পারে! চিন্তা করলেও ভয় লাগে। সৌম্য গাঙ্গুলি লিখেছেন, বাংলা সিরিয়াল এতটা অ্যাডাল্ট হয়ে গেছে? রাজ সরকার লিখেছেন, লজ্জা করে না আবলতাবল সিরিয়াল বানাতে। এই ঘটনা মনে হয় পরিচালকের সঙ্গে ঘটেছে, তাই তার সিরিয়ালের মাধ্যমে তুলে ধরেছে।

Advertisement

টিভি সিরিয়ালে পরাগের মা অর্থাৎ শিমুলের শাশুড়ির চরিত্রে অভিনয় করেছেন রীতা দত্ত চক্রবর্তী। গল্পের এমন ভাবনাকে অনেকটা সমর্থন করেছেন তিনি। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে রীতা দত্ত চক্রবর্তী বলেন, প্রথমত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কী লেখা হচ্ছে সে বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। কারণ আমি ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে একদমই সক্রিয় নই। সিরিয়ালে যা দেখানো হয়েছে, তার সঙ্গে শহুরে পরিবারের কিংবা মায়েদের কোনো মিল পাওয়া যাবে না। তবে লেখক তো কিছু একটা ভেবেই এমন দৃশ্য লিখেছেন।

ফেসবুকে যারা কটূক্তি করছেন, তাদের উদ্দেশ্যে রীতা দত্ত চক্রবর্তী বলেন, যারা ছেলের সঙ্গে মায়ের ফুলশয্যার মতো কটূক্তি করছেন, সে বিষয়ে বলব এটা সম্পূর্ণ বিকৃত মানসিকতার প্রতিফলন। আমার ছেলেও বাইরে থেকে কলকাতায় এলে আমরা একসঙ্গে শুই। এমন ধরনের ভাবনা সত্যিই মেনে নেওয়া যায় না।

এ সিরিয়ালে শিমুল চরিত্রে অভিনয় করেছেন মানালি দে। আর পরাগ চরিত্র রূপায়ন করেছেন দ্রোণ মুখার্জি। বিষয়টি নিয়ে তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা সাড়া দেননি বলে এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/টিএএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!