মঙ্গলবার দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন এর সামনে থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার পর্যন্ত প্রতিবাদ র্যালি পালন করেন তারা।
মানববন্ধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব প্রযুক্তি ও জিন প্রকৌশল বিভাগে শুধু বিভাগটির গ্র্যাজুয়েটকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।
.png)
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৩ ডিসেম্বর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলারে যোগ্যতা হিসেবে জিইবি গ্র্যাজুয়েট ছাড়াও বোটানি, মাইক্রোবায়োলজিসহ বেশকয়েকটি বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের আবেদনের আহ্বান করা হয়। এতে জিইবি বিভাগের গ্র্যাজুয়েটরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
বাংলাদেশে ১৯৯৫ সাল হতে জিইবি বিভাগের পথচলা শুরু হয়। এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই দীর্ঘকালে যোগ্যতা সম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট তৈরি হওয়া সত্ত্বেও দেশের জীবপ্রযুক্তি মলিকিউলার বায়োলজি, মাইক্রোবায়োলজি ও বোটানিসহ বিভিন্ন বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের জিইবি বিভাগে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। যা এ বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের অবমূল্যায়ন করে।
তারা আরো বলেন, বাংলাদেশের প্রায়ই প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ভালো বায়োটেকনোজি গ্র্যাজুয়েট তৈরি করছে। কিন্তু তারপরেও ভিন্ন বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের এখানে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এটা আমাদের সঙ্গে চরম বৈষম্য। এ বিভাগে শিক্ষকদের অবশ্যই জীবপ্রযুক্তিবিদ হতে হবে। আমরা কেউ কোথাও বৈষম্য চাই না। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে জীবপ্রযুক্তিবিদ নিয়োগ না দিলে আমরা তা মেনে নিব না।
এ সময় বক্তব্য দেন বিভাগটির শিক্ষার্থী মুস্তাফিজুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, আবিদুর রহমান, আবু সিদ্দিক ত্বোহা। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ. এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের এ দাবি যৌক্তিক। আমিও মনে করি জিইবি বিভাগের শিক্ষক হিসেবে জিইবি গ্র্যাজুয়েটই আসা উচিত। আমরা এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বসব। বসে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।’