এ ঘটনার দুদিন পর (২০ নভেম্বর) ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে প্রতিবাদ জানায় কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে চায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে তাদের নেতৃত্বে কবি নজরুল এবং শহিদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।
এর পরদিন গত বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) ন্যাশনাল মেডিকেলের সামনে প্রতিবাদ জানাতে এলে মাহমুবুর রহমান কলেজের শিক্ষার্থীরা ফের ধাওয়ার শিকার হয়। একই দিন দুপুরে কলেজটির শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে পুনরায় প্রতিবাদে নামার চেষ্টা করলে সেনাবাহিনী এবং পুলিশের প্রতিরোধে ধোলাইখাল থেকে ফিরে যায়।
.png)
এরপর ইউনাইটেড কলেজেস অব বাংলাদেশ (ইউসিবি) নামে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের প্লাটফর্ম থেকে গত শনিবার (২৩ নভেম্বর) রাতে ঢাকার সব বেসরকারি কলেজ মিলে সোহরাওয়ার্দী এবং কবি নজরুল কলেজে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করা হয়। দিনটিকে তারা ‘সুপারসানডে’ হিসেবে ঘোষণা করে।
পরে রোববার সকালে আন্দোলনকারীরা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের মূল ফটকসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। পরবর্তীতে দুপুরের দিকে কবি নজরুল এবং সোহরাওয়ার্দী কলেজে সাত-কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার সময় এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা ব্যাপক হামলা-ভাঙচুর চালায়।
এ হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে আজ সোমবার সকালে প্রতিবাদ মিছিলের ঘোষণা দিয়েছেন কবি নজরুল কলেজ এবং সোহরাওয়ার্দী কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।