রোববার সন্ধ্যার পর এ হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, কলেজটির প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে।
.png)
কলেজে শিক্ষক ও স্টাফরা জানান, কলেজের শ্রেণীকক্ষ, শিক্ষকদের কক্ষসহ অন্তত ৫০টি রুমে ভাঙচুর করা হয়েছে। ক্যান্টিনে হামলা করে টাকা লুট করা হয়েছে। এছাড়াও দ্বিতীয় তলার একটা শিক্ষক কক্ষে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, আমরা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দিয়েও সহযোগিতা পাইনি। ঘটনার আড়াই ঘন্টা পার হলেও পুলিশ আসেননি।
কলেজের ফাদার ব্রাদার প্লাসিড পিটার রিবেরু সিএসসি বলেন, কলেজ ছুটি হয়েছে ২ টায়। আমরা অফিসিয়াল কাজ শেষ করে আমরা ৪টার মধ্যে সবাই চলে গেছি। পরে খবর পেয়ে এসে দেখি এ অবস্থা।
এদিকে সন্ধ্যার পর ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজে হামলা করতে যান সোহরাওয়ার্দী ও কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাদের ধাওয়া দিয়ে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত নিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেন ড. মাহবুবুর রহমানসহ অন্য কলেজের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য, ডা. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রোববার রাজধানীর ২০টিরও বেশি কলেজের শিক্ষার্থীরা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় তারা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে ব্যাপক ভাঙচুর চালান।
এর আগে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ভুল চিকিৎসায় ডা. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে।