বুধবার (৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা নতুন এক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীন হয়েছি। আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে সম্প্রীতি ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। বিচারের ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বিশেষ সুবিধা পাবে না। প্রত্যেক সেক্টরে স্বৈরাচার যে সিস্টেম তৈরি করেছে তা ভেঙে পুনর্গঠন করতে হবে।
.png)
শিক্ষার্থী সোহাগ বলেন, সংখ্যালঘু বলে কোনো শব্দ থাকবে না। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবাই মিলে বসবাস করবে। সবার সমান অধিকার থাকবে, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। আমরা শিক্ষার্থীরা উপাসনালয়গুলোতে পাহারা দিচ্ছি, ট্র্যাফিক মেইনটেই করার চেষ্টা করছি দেশে সম্প্রীতিও গড়ব।
আরেক শিক্ষার্থী কামরুন নাহার মুন্না বলেন, অনেকে এখন বিজয়ের জন্য ক্রেডিট নিচ্ছে। আমাদের অনেকেরই বিভিন্ন দলের প্রতি সফট কর্নার আছে। অনেকেই এখন সভা সমাবেশ করবে, বাইকে করে শোডাউন দিবে কিন্তু আমরা জনগণ এখন আর বোকা না। কিন্তু আমাদের উচিত হবে সবার ঊর্ধ্বে ছাত্র-জনতার ক্রেডিট দিবে।
বিভাগীয় শিক্ষক অধ্যাপক ড. আবু সায়েম বলেন, আমরা দ্বিতীয়বার মুক্তিযুদ্ধ করেছি। সব অপচেষ্টা সমন্বিতভাবে রুখে দিতে হবে তাহলেই আমাদের বিপ্লব সফল হবে। আমরা একদলের পতন ঘটিয়ে নতুন কোনো স্বৈরাচার আসুক আমরা চাই না। আমাদেরকে বৈষম্যমুক্ত একটি দেশ তৈরি করতে হবে। নতুন এক সম্প্রীতির বাংলাদেশ চাই। এসময় তিনি কোটা পদ্ধতির পুনর্বিবেচনা, আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
এর আগে আন্দোলনে শহিদ ও আহত ছাত্র-জনতাকে স্মরণ করে র্যালিটি অপরাজেয় বাংলা থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে শেষ হয়।