জানা যায়, অভিযুক্ত ঐ শিক্ষার্থীর নাম জাহিদ মোস্তফা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী। তবে এক বছর পিছিয়ে পড়ায় ৪৭ ব্যাচের সঙ্গে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন তিনি। গত রোববার (১১ জুন) টপিকস ইন বায়োকেমিস্ট্রি নামে ৪৩৩ নম্বর কোর্সের পরীক্ষা চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উক্ত বর্ষের বাকি পরীক্ষাগুলো স্থগিত করেছে বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রসায়ন ভবনের ২০২ নম্বর কক্ষে দুপুর ২টায় পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা শুরুর প্রায় ১০ মিনিটের সময় কক্ষের পরিদর্শক অধ্যাপক নাছরিন জুয়েনা অভিযুক্ত জাহিদকে সন্দেহ করেন। এক পর্যায়ে খাতা চেক করতে গেলে জাহিদের কাছে একটি সম্পূর্ণ লিখিত উত্তরপত্র পাওয়া যায়। পরে পরীক্ষা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার পূর্ব লিখিত উত্তরপত্র বাতিল করা হয়।
.png)
এ বিষয়ে অধ্যাপক নাছরিন জুয়েনা গণমাধ্যমকে বলেন, তার কাছে নকল পাওয়া গিয়েছে এবং পরীক্ষার খাতা এক্সপেল হওয়ার মত যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।
তখন আমরা খাতা বাতিল করে চেয়ারম্যানের কাছে রিপোর্ট করে পাঠিয়ে দিয়েছি। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির কাজ চলাকালীন আমি আর কোন কথা বলতে চাচ্ছি না।
বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মাহবুব কবির বলেন, বিভাগের চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় এক শিক্ষার্থী পূর্ব লিখিত উত্তরপত্রসহ ধরা পড়ে। এ বিষয়ে অধ্যাপক তপন কুমার সাহাকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে বিভাগ থেকে। তদন্তের জন্য ১৫ জুলাই পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ততদিন পর্যন্ত বিভাগের উক্ত বর্ষে বাকি পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হয়েছে।