নিজ উদ্যোগে ছিন্নমূল এসব শিশুর মধ্যে নতুন পাঞ্জাবি, জুব্বা, পাজামা, শার্ট, গেঞ্জি ও প্যান্ট বিতরণ করে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন শাবিপ্রবির এ শিক্ষার্থী। শুধু ঈদ উপহার নয়, অনেক পথশিশুকে টাকা দিয়েও সহযোগিতা করেছেন তিনি।
হবিগঞ্জ জেলা সদরে নাজমুলের বাড়ি। তিনি হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট বাজার, শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন, নতুন ব্রিজ ও পুরান বাজারে ঘুরে ঘুরে পথশিশুদের মধ্যে এ ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন বলে জানান।
.png)
তিনি বলেন, ঈদে সবার মুখে হাসি ফুটলেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনেক সুবিধাবঞ্চিত মানুষ রয়েছেন যারা অর্থাভাবে কাপড় কিনবে তো দূরের কথা ঠিকমতো খাবার কিনেও খেতে পারে না। তাই এসব সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পথশিশুদের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার চেষ্টা করেছি।
অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে জানতে চাইলে নাজমুল বলেন, যেহেতু আমি একজন ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থী, সেহেতু আমার একার পক্ষে এতো টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই আমি আমার ফেসবুক আইডিতে একটি ভিডিও শেয়ার করে আর্থিকভাবে সহযোগিতার জন্য সবার কাছে আহ্বান জানাই।
নাজমুল হাসানের এ মানবিক কাজের প্রশংসা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনা পারভীন বলেন, দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী হয়ে সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য এমন কাজে তাকে সাধুবাদ জানাই। সমাজের বড় বড় মানুষেরা যে কাজ করতে পারছে না, সে সেই কাজ করে দেখিয়েছে। তার এ কাজের মাধ্যমে সমাজের সচেতন নাগরিকের পরিচয় দিয়েছে।