ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ অর্থনীতি ]

ফের অস্থির সোনার বাজার

অর্থনীতি ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:১০, ৩০ নভেম্বর ২০২৪
ফের অস্থির সোনার বাজার
স্বর্ণালংকার- ফাইল ফটো

বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় অস্থিরতা দেখা গেছে। একদিনে হঠাৎ প্রতি আউন্স সোনার দাম বেড়েছে ২১ ডলারের বেশি। এ অবস্থায় দেশেও যেকোনো সময় বাড়তে পারে সোনার দাম।

শুক্রবার স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম অবস্থান ছিল ২ হাজার ৬৬২ দশমিক ০২ ডলার। শনিবার ২১ দশমিক ১৮ ডলার বা ০ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৮৩ দশমিক ২০ ডলার।

বিশ্লেষকদের দাবি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন বিধ্বংসী রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা এবং ইসরায়েলের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা গেছে। বিনিয়োগকারীরা সোনাকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।

Advertisement

এলকেপি সিকিউরিটিজের ভিপি রিসার্চ অ্যানালিস্ট যতীন ত্রিবেদি বলেন, শুক্রবার সোনার বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। প্রথমে মূল্যবান ধাতুটির দাম কম থাকলেও রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের নতুন উত্তেজনা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে ইমিডিয়েট সাপোর্ট ২ হাজার ৬৬২ ডলারে (সাপোর্ট স্তর হলো এমন একটি দাম যেখানে ধাতুটির চাহিদা এতটাই শক্তিশালী যে এটি দরপতনকে প্রতিরোধ করে) এবং রেজিস্ট্যান্স ২ হাজার ৬৫৫ থেকে ২ হাজার ৬৬৫ ডলারে। রেজিস্ট্যান্স ভাঙলে সোনার দাম ২ হাজার ৬৯০ ডলারে পৌঁছে যেতে পারে। আর ২ হাজার ৬২০ ডলারের নিচে নেমে গেলে দাম ২ হাজার ৫৮০ ডলারে অবনতি হতে পারে।

এইচডিএফসি সিকিউরিটিজ-এর হেড অব কমোডিটি অ্যান্ড কারেন্সি অনুজ গুপ্ত ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রসঙ্গে বলেন, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সঙ্গে ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠায় নতুন করে সোনার চাহিদা বেড়ে গেছে। বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে সোনাকেই নিরাপদ বিকল্প হিসেবে দেখছেন।’

এদিকে গত ২৭ নভেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৯৮ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৯১ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩ হাজার ১৬০ টাকা।

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক সদস্য বলেন, সোনার দাম বাড়ানো বা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয় আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি স্থানীয় বাজারের ওপর ভিত্তি করে। স্থানীয় বাজারে পাকা সোনার দাম বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আবার পাকা সোনার দাম কমলে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিশ্ববাজারের দামের চিত্র পাকা সোনার দামে প্রভাব ফেলে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!