এ বিষয়ে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক সদস্য বলেন, বিশ্ববাজারে সোনার দাম যে হারে বেড়েছে এতে দেশের বাজারে দাম বাড়ানোর বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার এবং স্থানীয় বাজারে পাকা সোনার দাম পর্যালোচনা করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেবে বাজুস। দেশের বাজারে সোনার দাম নির্ধারণ করার পর এরই মধ্যে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্সের দাম ১০০ ডলার বেড়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই এখন দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়বে।
.png)
তথ্য পর্যালোচনায় গত সপ্তাহের শুরুতে প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ২ হাজার ৪২৮ দশমিক শূন্য ৭ ডলার। সেখান থেকে বেড়ে প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৫০৭ দশমিক ৮২ ডলারে থিতু হয় সপ্তাহ শেষে। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি আউন্স সোনার দাম বেড়েছে ৭৯ দশমিক ৭৫ ডলার বা ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ। এর মধ্যে সপ্তাহে শেষ কার্য দিবসেই প্রতি আউন্স সোনার দাম বেড়েছে ৫০ দশমিক ৪৮ ডলার বা ২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।
এদিকে দেশের বাজারে সোনার দাম সর্বশেষ নির্ধারণ করা হয় গত ১৪ জুলাই। যা কার্যকর হয় ১৫ জুলাই থেকে। বাজুসের প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বাড়ার কারণ উল্লেখ করে সেদিন সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ১ হাজার ১৯০ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ৮১ টাকা নির্ধারণ করেছে। এর মাধ্যমে দেশের বাজারে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে উঠেছে সোনা।
এর আগে, ২০ এপ্রিল বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত দেশের বাজারে এক ভরি সোনা সর্বোচ্চ ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৩৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
ভালো মানের সোনার পাশাপাশি ১৫ জুলাই থেকে সব ধরনের সোনার দাম বাড়ানো হয়। এর মধ্যে ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৩১ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৪ হাজার ৬২২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৯৬৮ টাকা বাড়িয়ে ৯৮ হাজার ২৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৮৫ টাকা বাড়িয়ে ৮১ হাজার ২২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে দেশের বাজারে এই দামেই সোনা বিক্রি হচ্ছে।