বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ডেপুটি গভর্নরসহ ৬ শীর্ষ কর্মকর্তা পদত্যাগপত্র কার কাছে দিয়েছেন? তাদের নিয়োগ দিয়েছে সরকার, পদত্যাগপত্র দিতে হলে সরকারের কাছেই দিতে হবে। অন্য কারো কাছে তারা পদত্যাগপত্র দিতে পারেন না।
.png)
গভর্নর প্রসঙ্গে মেজবাউল হক বলেন, গভর্নর ছুটিতে আছেন। এখন ডেপুটি গভর্নররা দায়িত্ব পালন করে যাবেন।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মচারীরা আজ প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের কাছে বিভিন্ন দাবি দাওয়া উত্থাপন করেছেন। যেমন পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসন, পে-স্কেল, সরকারের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ ইত্যাদি। এসব অসন্তোষের কারণে কর্মচারীরা কেন শীর্ষ কর্মকর্তাদের পদত্যাগ দাবি করেছেন?
মেজবাউল হক বলেন, বাংলাদেশে ব্যাংকে দুই ধরনের কাজ হয়; প্রথমত, দৈনন্দিন কার্যক্রম; দ্বিতীয়ত, নীতিগত। দৈনন্দিন কার্যক্রম বিভাগীয় প্রধানেরাই চালিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু সরকার না থাকলে বড় ধরনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয় না। এখন মূলত দৈনন্দিন কার্যক্রমই চলবে। সব কিছু এখন নির্ভর করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর। তারা যে নির্দেশনা দেবে, তার ওপর। আইনি সংস্কারের কথা আমরা বলেছি, আজ যারা পদত্যাগের দাবি করেছেন তাদের আইনের ফাকফোকর খুঁজে বের করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।