ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ অর্থনীতি ]

১০ পণ্যের দাম কমলেও ভোগান্তি কমেনি

অর্থনীতি প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩:৫৭, ২২ মার্চ ২০২৪
১০ পণ্যের দাম কমলেও ভোগান্তি কমেনি
ফাইল ফটো

দেশের বাজারে পণ্যের দাম কমতে শুরু করেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ১০টি পণ্যের দাম কমেছে। তবে এখনো বাড়তি দরেই বিক্রি হচ্ছে ইফতার তৈরিতে ব্যবহৃত পণ্য। ফলে রোজায় নিত্যপণ্যের বাজারে ক্রেতাদের ভোগান্তি শেষ হয়নি।

রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে প্রতি লিটার বোতল সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ১৬৩-১৬৫ টাকায়, যা ৭ দিন আগে ১৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি লিটার পাম অয়েল সুপার বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা, যা আগে ১৩৫ টাকা ছিল। বড় দানার মসুর ডাল ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ১১০ টাকা ছিল। মাঝারি দানার মসুর ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, যা ১২৫ টাকা ছিল। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, যা ৭ দিন আগে ৮০ টাকা ছিল। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি, যা আগে ১৬০ টাকা ছিল। আমদানিকরা আদা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়, যা ৭ দিন আগে ২৫০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি দারুচিনি ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ৫৮০ টাকা ছিল।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, যে সব পণ্যের দাম কমছে তা রোজার আগেই দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন বেশি দামে বিক্রি করে বাড়তি মুনাফা করে এখন দাম কমানো হচ্ছে। এছাড়া বাজারে এখনো অনেক পণ্য অযৌক্তিক দামে বিক্রি হচ্ছে। তদারকির মাধ্যমে সেগুলোর দামও নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

Advertisement

এছাড়া রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২১০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগেও ২১০-২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি হালি ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪২ টাকা। যা আগে ৪২-৪৫ টাকা ছিল। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০-৭৮০ টাকা, খাসির মাংস ১১০০ টাকা, দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা।

বাজারে মান ও দামভেদে সাদা মুড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, যা রোজার আগে ৭০ টাকা ছিল। মান ও বাজারভেদে প্রতি কেজি বেসন বিক্রি হচ্ছে ৭০-১০০ টাকা, যা আগে ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হতো। এছাড়া প্রতি কেজি ইসবগুলের ভুসি রোজার আগে ১৬০০ টাকা বিক্রি হলেও এখন ২১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেটজাত ট্যাং বিক্রি হয়েছে ৮৫০ টাকা, যা আগে ছিল ৮০০ টাকা। বড় সাইজের রুহ-আফজা বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৫৫০ টাকায়, যা আগে ৩৫০ টাকা ছিল। ছোট সাইজের রুহ-আফজা বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩০০ টাকা, যা আগে ২০০ টাকা ছিল।

নয়াবাজারের বিক্রেতা মো. তুহিন বলেন, রোজায় সব শ্রেণির ক্রেতা বেশি করে পণ্য কিনেছেন। এ কারণে তারা এখন বাজারে আসছেন না। চাহিদা কমে যাওয়ায় বিক্রিও কমেছে। ফলে দাম কমতে শুরু করেছে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি লাল আপেল ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ২৬০-২৭০ টাকা ছিল। কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা কেজি, যা আগে ২৮০-৩০০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি আনার বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ টাকা, যা আগে ৩১০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি বরই বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, যা আগে ৭০-৮০ টাকা ছিল। পেয়ারার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা, যা আগে ৬০-৭০ টাকা ছিল।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!