বিক্রেতারা বলছেন, গেল ১৫ বছরের রমজানে এবারই বাড়ল চালের দাম। গেল জানুয়ারিতে দাম বাড়লেও সেবার সরকারের নানা উদ্যোগে তা কিছুটা কমলেও ফের কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে চাল।
সব ধরনের চালে পাইকারিতে বস্তাপ্রতি দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেড়েছে। এছাড়া খুচরায় কেজিপ্রতি মোটা চাল ৫০ থেকে ৫৩ টাকা, বি-আর ২৮ চাল ৫৩ থেকে ৫৫ টাকা, পাইজাম ৫৩ থেকে ৫৬ টাকা, নাজিরশাইল মানভেদে ৬৭ থেকে ৭৬ টাকা, মিনিকেট ৬২ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
.png)
খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনছেন তারা। এ কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এখন থেকেই চালের বাজার তদারকি না করলে ঈদের পর চালের দাম লাগামহীন হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
রাজধানীর বড় পাইকারি চালের আড়ত বাবুবাজারের আড়ৎদাররা জানান, মৌসুম শেষ হওয়ায় চালের দাম বাড়তি। তবে ধানের সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমার সম্ভাবনা আছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগামী বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য মৌসুমে নতুন ইরি-বোরো ধান উঠলেই চালের দাম আবার স্থিতিশীল হবে।