শনিবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে সয়াবিনের দরে বড় পতন ঘটেছে। সবমিলিয়ে যে হার ১৫ শতাংশ। বিশ্বের শীর্ষ উৎপাদক ব্রাজিলে বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে ভোজ্যতেল তৈরির মূল উপকরণটির দাম ব্যাপক নিম্নগামী হয়েছে।
.png)
আলোচ্য কার্যদিবসে সিবিওটিতে আগামী মার্চের সয়াবিনের সরবরাহ মূল্য নিম্নমুখী হয়েছে ১৪ সেন্ট। প্রতি বুশেলের দাম স্থির হয়েছে ১২ ডলার ৯৮ সেন্টে। শুধু দৈনিক ভিত্তিতে নয়, বার্ষিক হিসাবেও বেঞ্চমার্কটির ব্যাপক দরপতন ঘটেছে।
সব মিলিয়ে চলতি বছর সয়াবিনের দরপতন ঘটেছে ২ দশমিক ২৬ ডলার বা ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ নিয়ে ২০১৮ সালের পর বার্ষিক হিসেবে প্রথম তেলবীজটির দাম কমলো।
সম্প্রতি বিশ্বের আরেক বৃহৎ উৎপাদক আর্জেন্টিনায় পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাততের ফলে সয়াবিন চাষ ব্যাপক ত্বরান্বিত হয়েছে। এরই মধ্যে সেখানে ৭৮ দশমিক ৬ শতাংশ জমিতে কৃষিজ পণ্যটির চাষাবাদ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে আর্জেন্টিনা থেকে সরবরাহ বৃদ্ধি পেতে পারে। সঙ্গত কারণেই দরপতন ঘটেছে।
বিশ্বের অপর বৃহত্তম সয়াবিন উৎপাদনকারী যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ২১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে সয়াবিন রফতানি হয়েছে ৯ লাখ ৮৩ হাজার মেট্রিক টন। যেখানে প্রত্যাশা ছিল ৮ থেকে ১৭ লাখ টন।
সূত্র: নাসডাক