সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কাস্টমস অ্যাক্ট ১৯৬৯ ও মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে ২০২০ সালের ৩ জুন তারিখে জারিকৃত প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে এসআরও নম্বর ১২৮-আইন/২০২০/৭৯/কাস্টমসের সংশোধন করে শুল্ক-কর অব্যাহতির তালিকায় সয়াবিন মিল সংযুক্ত করা হয়েছে।
.png)
প্রসঙ্গত, সয়াবিন মিল হচ্ছে পোল্ট্রি ও গো-খাদ্যের ব্যবহৃত কাঁচামাল, যা সয়াবিন উৎপাদনের পর অবশিষ্টাংশ। পশুখাদ্যে ২৮-৩০ শতাংশ ওই পণ্য ব্যবহার করা হয়।
বাংলাদেশ অ্যাগ্রো ফিড ইনগ্রিডিয়েন্টস ইম্পোটার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফিটা) ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. গিয়াস উদ্দিন খান বলেন, কোভিড-১৯, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পোলট্রি, মৎস্য ও ডেইরি শিল্পের খাদ্য তৈরির কাঁচামালসমূহের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক দেশ উৎপাদনও বন্ধ করে দিয়েছিল। খাদ্য উপকরণের ঊর্ধ্বগতির কারণে অনেক ফিড মিল ও ছোট ছোট খামার বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি আরো বলেন, পোল্ট্রি, মৎস্য ও পশুখাদ্য উৎপাদনে সয়াবিন মিল একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। পণ্যটির বাজারমূল্য বেশি হওয়ায় এবং অনেক পরিমাণ ব্যবহারের কারণে সরকার পণ্যটি দীর্ঘদিন রেয়াতি সুবিধা দিয়ে আসছিল। শুধু নামের তারতম্য থাকার কারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে গত ৪ মাস যারা সয়াবিন মিল আমদানি করেছেন তাদের অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হয়েছে। এনবিআরের এ সিদ্ধান্তের ফলে পোলট্রি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সেক্টরের সংশ্লিষ্ট সবাই উপকৃত হবেন। ফলে সয়াবিন মিল এবং ফিডের দাম কমবে।