রোববার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, ডাব কেনাবেচায় কোনো রকম ক্রয়-বিক্রয় রশিদ রাখা হয় না। এই সুযোগে ডাবের আড়তে, পাইকারি ও খুচরা প্রতিটি স্তরে মূল্য বৃদ্ধির উৎসব চলছে। আমরা এরই মধ্যে সারাদেশে ডাবের মূল্য কারসাজি কাজ শুরু করেছি।
তিনি আরো বলেন, এরই মধ্যে ডাবের মূল্য কমতে শুরু করেছে। তবে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১০০ টাকার মধ্যে না আসা পর্যন্ত বাজার তদারকি অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
.png)
এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, পাইকারী পর্যায়ে ডাবের সর্বোচ্চ মূল্য ৪০ থেকে ৭০ টাকা। সুতরাং খুচরা পর্যায়ে সবচেয়ে ভালো মানের ডাব ১০০ টাকার বেশি হতে পারে না। কিন্তু বর্তমানে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত ডাব বিক্রি হচ্ছে। ডাব ব্যবসায়ীদের অনৈতিক অতি মুনাফা কোনো যুক্তিতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ভোক্তার ডিজি বলেন, ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ডাবের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ডাব ব্যবসায়ীরা অনৈতিকভাবে দাম বৃদ্ধি করছে। অতিরিক্ত দামে ডাব বিক্রির অভিযোগে দেশের কয়েকটি জায়গায় ব্যবসায়ীদের এরই মধ্যে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের সঠিক মূল্যে ডাব বিক্রি ও ভাউচার সংরক্ষণ করতে সতর্ক করা হচ্ছে।
সোমবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ে যৌক্তিক মূল্যে ডাব ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত সচেতনতামূলক সভা আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে অধিদফতরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত থাকবেন।
ডাবের মূল্য নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠ এবং অনুসন্ধানী সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।