ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ অর্থনীতি ]

বিদ্যুৎ–জ্বালানি বাঁচাতে ‘অনলাইনে’ সভা করার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

অর্থনীতি ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২:০১, ২৬ এপ্রিল ২০২৩
বিদ্যুৎ–জ্বালানি বাঁচাতে ‘অনলাইনে’ সভা করার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের
ফাইল ফটো

ব্যাংকের ব্যয়ে কৃচ্ছ্রসাধন ও বিদ্যুৎ-জ্বালানির ব্যবহার কমাতে খুব প্রয়োজন না হলে শারীরিক উপস্থিতির পরিবর্তে অনলাইনে সভা করার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক্ষেত্রে শতভাগ শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া ‘হাইব্রিড’ পদ্ধতিতে সভা আয়োজনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকের ব্যয়ে কৃচ্ছ্রসাধন ও বিদ্যুৎ-জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে সভার গুরুত্ব ও শারীরিক উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে করা যায় এমন সভা হাইব্রিড পদ্ধতিতে আয়োজনের পরামর্শ দেওয়া হলো।

Advertisement

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, দেশের বিদ্যুৎ খাতে সংকট শুরু হলে গত বছরের জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে সব ব্যাংককে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ কমানোর নির্দেশনা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ঐ নির্দেশনায় বলা হয়, চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে ব্যাংকগুলোকে সাশ্রয়ী হতে হবে।

তখনকার নির্দেশনায় আরো বলা হয়, ব্যাংকগুলোকে ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত পেট্রল, ডিজেল, অকটেন, গ্যাস ও লুব্রিকেন্ট বাবদ বরাদ্দ করা অর্থের ১০ শতাংশ খরচ কমাতে হবে। আর চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) কমাতে হবে আরো ১০ শতাংশ খরচ। ফলে জ্বালানি বাবদ চলতি অর্থবছরে ব্যাংকগুলোকে ২০ শতাংশ খরচ কমাতে হবে।

একইভাবে সাশ্রয়ী হতে পরামর্শ দেওয়া হয় বিদ্যুৎ খরচের ক্ষেত্রেও। চলতি অর্থবছরে প্রতিটি ব্যাংককে এ খাতে খরচ ২৫ শতাংশ কমিয়ে আনতে বলা হয়। গত বছরের ছয় মাস ও চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে আনুপাতিক হারে (অর্থাৎ সাড়ে ১২ শতাংশ করে) এ খাতে খরচ কমাতে হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খরচ কমিয়ে ব্যাংকগুলো যে অর্থ সাশ্রয় করবে, তা অন্য কোনো খাতে ব্যবহার করা যাবে না বলেও তখন নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া এ সংক্রান্ত তথ্য ও দলিলপত্র ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দল ব্যাংক পরিদর্শনে গিয়ে দলিলপত্র দেখতে চাইলে তা সরবরাহ করতে হবে।

এছাড়া ব্যাংকগুলো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কী পরিমাণ অর্থ খরচ করেছে, তা বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনেও প্রকাশ করতে তখন নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!