ঢাকা,  শুক্রবার   ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

ভোলায় কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:৫৬, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
ভোলায় কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
ভোলায় কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শিক্ষার্থীদের মেধা অন্বেষণ, প্রতিভা বিকাশ এবং পড়ালেখায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ভোলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬। শুক্রবার সকালে জেলার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২৭টি হলে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভোলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির প্রায় ১ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় এবং ভোলা কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজে পরীক্ষার কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়। সকাল থেকেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোতে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে পরীক্ষা ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে তাদের যোগ্যতার স্বীকৃতি প্রদান এবং বৃত্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহী করে তোলা, মেধার বিকাশ ঘটানো এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা গড়ে তোলাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন চরফ্যাশন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ উল্লাহ স্বপন ও নাজিউর রহমান কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাকসুদুর রহমান। এ সময় তাঁরা পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা তাদের মেধা যাচাইয়ের পাশাপাশি নিজেদের যোগ্যতা ও সামর্থ্য সম্পর্কে ধারণা পেতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে এবং ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রেরণা জোগায়। শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা জানিয়ে কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

অভিভাবকদের মতে, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়মিত এমন আয়োজন হলে শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের পাশাপাশি বৃহত্তর পরিসরে প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবে। এতে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় ও পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে।

আয়োজকরা জানান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে তাদের প্রতিভার যথাযথ বিকাশ ঘটানো এবং শিক্ষার্থীদের মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে জ্ঞান, নৈতিকতা ও যোগ্যতায় সমৃদ্ধ প্রজন্ম হিসেবে গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি করবে এবং ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের যোগ্য নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সহায়তা করবে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কিশোরকণ্ঠের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ভোলা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!