প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটির ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে কারিগরি ত্রুটির কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিমানের গঠন করা এই কমিটিকে চার কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) এয়ার কমোডর এম নিয়ামুল কবীর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, তদন্ত কমিটির সভাপতি বিমানের চিফ (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিডিউলিং)। সদস্যসচিব ব্যবস্থাপক (আইনবিষয়ক)। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাকশন) ও ডেপুটি চিফ (ফ্লাইট সেফটি)।
প্রয়োজনে বিমানের যেকোনো কর্মকর্তাকে কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।
কমিটিকে ফ্লাইটটির (বিজি ৩৭৭) কারিগরি ত্রুটির প্রকৃত কারণ ও ধরন উদ্ঘাটন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ত্রুটি শনাক্তকরণ, নিরসন ও পরবর্তী সময়ে উড়োজাহাজটির উড্ডয়ন উপযোগিতা নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে নেওয়া পদক্ষেপ পর্যালোচনা করবে কমিটি।
তদন্তের আওতায় আরও থাকবে কারিগরি ত্রুটির কারণে ফ্লাইট বিলম্ব, যাত্রীদের ভোগান্তি ও বিমানের প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তির ওপর সৃষ্ট প্রভাব নিরূপণ।
এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের দায়িত্ব–কর্তব্য পর্যালোচনা করবে কমিটি। কারও কোনো পর্যায়ে দায়িত্বে অবহেলা, সমন্বয়হীনতা কিংবা প্রক্রিয়াগত ত্রুটি ছিল কি না, তা যাচাই করে দায়দায়িত্ব নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে কমিটিকে।
ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশও দেবে কমিটি।
এর আগে, চার দিনের সরকারি সফরে গত ২৬ অক্টোবর জাপান গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফর শেষে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা থাকলেও ত্রুটির কারণে প্রায় ৪ ঘণ্টা বিলম্বিত হয় এবং প্রধানমন্ত্রীসহ যাত্রীদের বিমানবন্দরের লবিতে অবস্থান করতে হয়।