ঢাকা,  রোববার   ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

নভেম্বরের শেষ নাগাদ রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা

ঈশ্বরদী( পাবনা )প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৫৭, ১১ অক্টোবর ২০২৬
নভেম্বরের শেষ নাগাদ রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আগামী ২০ নভেম্বর থেকে থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে বলে আশা করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ পারমাণবিক জ্বালানি প্রকল্প সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

রোববার (১১ অক্টোবর) রোসাটমের মিডিয়া উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাশিয়া সফরকালে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে বৈঠক করেন রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখাচেভ। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর সম্ভাব্য সময়ের কথা জানান।

লিখাচেভ বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রত্যাশা প্রকল্প সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও তৈরি করেছে। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের।

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে কার্যক্রম শুরুর সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগামী ২০ নভেম্বর থেকে থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে।

চলতি বছরের এপ্রিলের শেষ দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ভৌত সূচনা কার্যক্রম শুরু করে রোসাটম। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ এপ্রিল প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু হয়। রোসাটমের প্রকৌশল বিভাগ, যা প্রকল্পটির সাধারণ ঠিকাদার ও নকশা প্রণয়নকারী সংস্থা, এ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এটি ছিল ইউনিটটির গুরুত্বপূর্ণ সূচনা প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ।

২০১১ সালে স্বাক্ষরিত আন্ত:সরকারি চুক্তির ভিত্তিতে বাংলাদেশে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে রোসাটম। কেন্দ্রটিতে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হলে দেশের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে পারমাণবিক উৎসের বিদ্যুৎ।

এর আগে রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখাচেভ জানিয়েছিলেন, আগামী বছর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে স্টার্ট-আপ কার্যক্রম শুরু করার প্রত্যাশা করছে সংস্থাটি।

এদিকে রোসাটমের অন্যান্য প্রস্তাব নিয়েও বাংলাদেশের আগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন লিখাচেভ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী রোসাটমের আরও কিছু সম্ভাব্য প্রস্তাব সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ছোট আকারের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। অন্যান্য দেশের জন্যও এসব প্রযুক্তি নিয়ে সমন্বিত প্রস্তাব দিয়ে থাকে রোসাটম।

ডেইলি-বাংলাদেশ/পাবনা/এসআই
ট্যাগ: পাবনা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!