আইনজীবী নেতার বিরুদ্ধে মানববন্ধনের প্রতিবাদে মিছিল-সমাবেশ
কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতনের বিরুদ্ধে ইটনা উপজেলার বড়িবাড়ী ইউনিয়নের পাঁচকানিয়া (ভূগলী) নদী নিয়ে "মিথ্যা অপপ্রচারমূলক" মানববন্ধন ও মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে মিছিল ও সমাবেশ করেছেন আইনজীবীরা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে কিশোরগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরের সামনে থেকে প্রতিবাদ মিছিলটি বের হয়। পরে মিছিলটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
.png)
সমাবেশে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল বোখারী, অ্যাডভোকেট মীর সাখাওয়াত হোসেন, অ্যাডভোকেট শওকত কবির খোকন, অ্যাডভোকেট জেসমিন সুলতানা কবিতা, অ্যাডভোকেট নাদিরা সুলতানা সোমা, অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দিন খান মার্শাল, অ্যাডভোকেট মো. আহসানুজ্জামান নাসিরসহ আইনজীবী সমিতির আরও কয়েকজন সদস্য।
বক্তারা দাবি করেন, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতনের বিরুদ্ধে ইটনা উপজেলার বড়িবারী ইউনিয়নের পাঁচকানিয়া (ভূগলী) নদীর জলমহালকে কেন্দ্র করে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির যে অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করা হয়েছে, তা মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক। তাদের অভিযোগ, নাম-পরিচয়হীন ব্যক্তিদের সামনে রেখে ওই মানববন্ধন করা হয়েছে এবং সেখানে আমিনুল ইসলাম রতনের বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতন কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির ছয়বারের সাধারণ সম্পাদক। তার নিজ বাড়ি ইটনা উপজেলায়। ওই ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বড়িবারী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুস ছাত্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ এবং যুবলীগের সহসভাপতি মো. হুমায়ুন কবীরের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
সমাবেশ থেকে আব্দুস ছাত্তার, ফরহাদ, হুমায়ুন কবীরসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা এবং তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতনের বিরুদ্ধে জলমহাল থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করা হয়। জলমহালের ইজারাদার, মৎস্যজীবী ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে একটি ব্যানারে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়। তবে আইনজীবীদের সমাবেশে বক্তারা ওই অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।