ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ঘরের সিঁধ কেটে স্বর্ণালঙ্কার চুরি

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:০৬, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪
ঘরের সিঁধ কেটে স্বর্ণালঙ্কার চুরি
ফাইল ছবি

লক্ষ্মীপুরে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে দুই ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ এক লাখ টাকা ও একটি মোবাইল নিয়ে গেছে চোরের দল। এর আগে কোনো এক সময় ঘরে ঢুকে খাবারের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দেয় চোর। রাতের খাবারের সঙ্গে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে একই পরিবারের তিন সদস্যকে অচেতন করে স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় তারা।

মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সৌরভ চন্দ্র নাথ সদর মডেল থানায় অজ্ঞাত চোরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। এর আগে সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) গভীর রাতে সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের বিজয়নগর গ্রামে রাম কিশোর ব্যাপারীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অসুস্থরা হলেন- শংকর দেবনাথ, তার স্ত্রী স্বপ্না রাণী নাথ ও পুত্রবধূ তমা রাণী নাথ। তাদেরকে বাড়িতে রেখা চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। 

Advertisement

অভিযোগ সূত্র জানায়, গৃহকর্তা শংকরসহ তার স্ত্রী, পুত্রবধূ রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তবে রাতে ঘরে খাবার খাননি তার ছেলে সৌরভ। তবে তিনিও ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১টার দিকে ঘুম ভেঙে গেলে সৌরভ ঘরের দরজা খোলা দেখেন। পরে উঠে দেখেন ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো। একপর্যায়ে সৌরভ তার মোবাইলও খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তার বাবা, মা এবং স্ত্রীকেও ঘুম থেকে উঠাতে পারছিলেন না। তাদের কোনো সাড়াশব্দ ছিল না। পরে ঘরের মালামাল যাচাই শেষে ২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ১ লাখ টাকা পাওয়া যায়নি। চোরের দল মোবাইল, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

সৌরভ চন্দ্র নাথ বলেন, রাতে আমি ঘরের খাবার খাইনি। তবে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে দেখি দরজা খোলা। জিনিসপত্র এলোমেলো দেখে ঘরে কেউ আছে মনে হচ্ছিল। খুঁজতে গেলে ঘর থেকে বের হয়ে বাগানের দিকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। চেষ্টা করেও তাকে ধরতে পারিনি। কোনো এক সময় খাবারের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে রাখে ওই চোরের দল। পরে রাতে তারা ঘটনাটি ঘটায়। আমার বাবা-মা ও স্ত্রী এখনও অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছে।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি আব্দুল মোন্নাফ বলেন, অভিযোগ পেয়ে এসআই আনিছকে ঘটনাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!