এদিকে, শকুন উদ্ধারের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে একনজর দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করে। বিশেষ করে শিশু-কিশোররা বিপন্ন প্রজাতির শকুনটি দেখতে উন্মুখ ছিল। অনেকেই মুঠোফোনে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন।
গংগারহাট এলাকার স্থানীয় নবীউল ও মুসা মিয়া বলেন, আমরা দুপুরে ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে দেখি শকুনটি আহত অবস্থায় পড়ে আছে। বিশাল আকৃতির এ শকুনটি উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসি।
.png)
কুটিচন্দ্রখানা গ্ৰামের হোসেন আলি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত ঠান্ডা থেকে বাঁচতে এটি ভারতের হিমালয় থেকে এসেছে। আমরা বিষয়টি বন বিভাগকে জানিয়েছি।
বিদ্যাবাগিশ গ্রামের ইলিয়াস হোসেন বলেন, শকুনটি অসুস্থ। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বন্যপ্রাণী অধিদফতরের কাছে হস্তান্তর করা জরুরি। শীতকালে শকুনসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির দেখা মেলে। এসব পাখি না ধরে অবমুক্ত করে দেওয়ার ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
ফুলবাড়ী উপজেলা বন কর্মকর্তা সেকেন্দার ইসলাম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে শকুনটি নিজের হেফাজতে নিয়েছি। রংপুর বন বিভাগে খবর পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে উদ্ধারকারী দল এসে শকুনটিকে নিয়ে গিয়ে দিনাজপুরের রেসকিউ সেন্টারে অবমুক্ত করবে।